শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

আয়কর রিটার্ন দাখিল: ৫ শ্রেণির করদাতাকে ছাড়, অন্যদের জন্য বাধ্যতামূলক

ঢাকা, ১২ আগস্ট: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আজ একটি বিশেষ আদেশ জারি করে ৫ ধরনের করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

তবে, অন্যান্য সব করদাতাকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে হবে।এনবিআরের চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান স্বাক্ষরিত এই আদেশে যে ৫ শ্রেণির করদাতাকে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দেওয়া থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে,

তাঁরা হলেন:১. ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রবীণ করদাতা।

২. শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা (এক্ষেত্রে যথাযথ সনদ জমা দিতে হবে)।

৩. বিদেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি করদাতা।

৪. মৃত করদাতার পক্ষে তাঁর আইনি প্রতিনিধি।

৫. বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক।

তবে, এই শ্রেণির করদাতারা যদি চান, তাহলে তাঁরা অনলাইনেও আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।এর আগে, গত ৩ আগস্ট সারা দেশের সকল ব্যক্তিগত করদাতার জন্য অনলাইনে (www.etaxnbr.gov.bd) আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।এনবিআর আরও জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তিগত করদাতা যদি ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধনের সমস্যার কারণে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে আবেদন করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে অতিরিক্ত বা যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদন সাপেক্ষে তিনি কাগজের মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।গত বছর সীমিত আকারে ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল এবং তখন ১৭ লক্ষেরও বেশি করদাতা অনলাইনে ই-রিটার্ন জমা দিয়েছিলেন।

করদাতারা অনলাইনে ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্যান্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করতে পারেন। একইসঙ্গে, তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ই-রিটার্ন দাখিলের রসিদ এবং প্রয়োজনীয় তথ্যসহ আয়কর সনদ প্রিন্ট করে নিতে পারেন।