রবিবার ১৯ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স: ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ

ইস্তাম্বুল ডেস্ক — আকাশপথে পরিবহণ ও সেবায় বিশ্বজুড়ে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে এক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে তুরস্কের পতাকাবাহী বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইন্স। শুক্রবার (২ জানুয়ারি, ২০২৬) সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে, তারা বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল এবং ইন-ফ্লাইট ক্যাটারিং (বিমানে খাবার সরবরাহকারী) সুবিধা তৈরি করতে যাচ্ছে।

এই বিশাল প্রকল্পে তারা ১০০ বিলিয়ন তুর্কি লিরা বা প্রায় ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

প্রকল্পের মূল আকর্ষণসমূহ: কর্মসংস্থান: এই বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ২৬ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্বের সেরা হওয়ার লক্ষ্য: টার্কিশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় বিমান সংস্থা। তাদের লক্ষ্য ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি এয়ারলাইন্সের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া।

বিশাল বহর: ২০২৫ সাল নাগাদ সংস্থাটির হাতে ৫১৪টি বিমান রয়েছে, যা ২০৩৩ সালের মধ্যে ৮১৩টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিরাট কর্মযজ্ঞ: বর্তমানে সংস্থাটি বছরে ৮ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি যাত্রী এবং ২০ লাখ টন কার্গো বা পণ্য পরিবহন করছে। নতুন টার্মিনালটি চালু হলে এই সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, “তুরস্ক বড় হচ্ছে, টার্কিশ এয়ারলাইন্স উড়ছে। তুরস্কের পতাকাবাহী ব্র্যান্ড হিসেবে এই অর্জন আমাদের গর্বিত করে।”

যদিও প্রকল্পের নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়নি, তবে তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক বিমান হাব ইস্তাম্বুলেই এটি নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।