শনিবার ১১ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক : শ্রমবাজার খোলা, স্বচ্ছ প্রক্রিয়া ও ব্যয় কমাতে সম্মতি সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া, অর্থনৈতিক গতিশীলতার জন্য এটি অপরিহার্য: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য পুঁজিবাজারে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ডিএসই ও চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠক<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও গ্যাস অনুসন্ধানের তাগিদ আমচ্যাম-এর<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> অর্থনীতির শ্লথগতি ও ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্য: উত্তরণে জরুরি সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের রিজার্ভ চুরি মামলা: নিউ ইয়র্কের আদালতে জবানবন্দি দিতে সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে তলব স্থিতিশীল বৈদেশিক মুদ্রার বাজার, টাকার মান কমানোর কোনো চাপ নেই: বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ‘বিসিআই’-এর করপোরেট সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকের ত্রৈমাসিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। 

সাক্ষাৎকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং- এর পক্ষ থেকে উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।

আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) হুমায়ুন কবির সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তবে সফরসূচি নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়নি। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অনেক অভ্যন্তরীণ অগ্রাধিকারমূলক কাজ চলছে। যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন তখন চীন সফরের বিষয়টি বিবেচনা করবেন।

পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে যে বিশাল ম্যান্ডেট পেয়েছেন, সেজন্য চীন সরকার সেটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গঠিত নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানাতেই মূলত চীনের রাষ্ট্রদূত এই সাক্ষাৎ করতে আসেন।

‘বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক’ উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময় থেকেই এই সুদৃঢ় সম্পর্কের সূচনা হয়েছিল। ধারাবাহিকভাবে চীন বাংলাদেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শক্তিশালী উন্নয়ন সহযোগী। বিগত বছরগুলোতে চীনের সাথে বাংলাদেশের যে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, বর্তমান সরকার সেটিকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে চায়।’

‘চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি মূলত একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। এতে কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না হলেও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কীভাবে একটি নতুন মাত্রায় নিয়ে যাওয়া যায়, উভয় দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও জোরদার করা যায়, এসব বিষয়ে সৌজন্যমূলক অঙ্গীকার করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কি না? সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, ‘চীন সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে সেদেশে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমানে অনেকগুলো অভ্যন্তরীণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ (ডোমেস্টিক প্রায়োরিটি) রয়েছে। দেশের কাজ গুছিয়ে নিয়ে যখন তিনি বিদেশ সফর শুরু করবেন, তখন চীনের এই আমন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।’বাসস