বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
আইএমএফের কাছে নতুন করে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মে মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.০৯ শতাংশ, ১১ মাসের সম্মিলিত আয় নেমেছে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে<gwmw style="display:none;"></gwmw> নতুন চেয়ারম্যানকে ঘিরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ ৩য় দিনে, প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুমকি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিতে প্রতি তিন টাকার এক টাকা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই জনকল্যাণমুখী বাজেট তৈরির চেষ্টা: আমীর খসরু<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> স্মার্ট কার্ডধারী ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিঋণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি এস আলমের সম্পদ বিক্রি করে ইসলামী ব্যাংকের লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের দাবি গ্রাহকদের ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে নজিরবিহীন সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক মে মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৫.৩৪ শতাংশের বিশাল প্রবৃদ্ধি; চলতি অর্থবছরে এসেছে ৩২.৭৫ বিলিয়ন ডলার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডজি বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

শেখার প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান উপাচার্যের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ১৯তম ব্যাচের নবীন বরণ ও ১৪তম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আজ ১১ নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শান্টু বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লায়ন আদর্শ কুমার বড়ুয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, জীবনের নানা সময় আমাদের সামনে অনেক সুযোগ আসে। কোনটি কাজে লাগবে, আর কোনটি নয়-এ নিয়ে অতিরিক্ত হিসাব না করে সুযোগটিকে কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আমি নিজ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শেখার, অনুশীলনের এবং আত্মবিকাশের অনেক দ্বার খোলা থাকে। বিশেষ করে ভাষা শেখা এমন এক দক্ষতা, যা দীর্ঘমেয়াদে জীবনের নানা পর্যায়ে কাজে আসে।

উপাচার্য আরও বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সুযোগ পেয়েছিলাম একটি ডিপ্লোমা প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার। তখন বুঝিনি এর উপকারিতা কী হবে, কিন্তু বহু বছর পর সেটিই আমার আন্তর্জাতিক পরিসরে, বিশেষ করে জাতিসংঘে কাজের ক্ষেত্রে অমূল্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের বলব, শেখার সুযোগ পেলেই সেটিকে গ্রহণ করো। ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন কিংবা স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ-সবই তোমার জীবনের বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি উন্মুক্ত দ্বারবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এখানে ভালো সুযোগ যেমন আছে, তেমনি বিভ্রান্তির সুযোগও আছে। এখন তোমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন পথটি ধরবে। আজ যারা বিদায় নিচ্ছো, তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দূত হিসেবে দেশ-বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে-এই প্রত্যাশা রাখি।