মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে টেলিনর সিইও-র সাক্ষাৎ জ্বালানি সাশ্রয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত: ৩ মাস সরকারি তেল নেবেন না মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব জ্বালানি সংকটে তৈরি পোশাক উৎপাদন ২৫-৩০ শতাংশ হ্রাস; বিজিএমইএ’র জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি<gwmw style="display:none;"></gwmw> মানি মার্কেটে লেনদেন-ভিত্তিক রেফারেন্স রেট চালু করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক রেজুলেশন আইন দুর্নীতির সহায়ক ও লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ: টিআইবি কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই কৃষক কার্ডের লক্ষ্য : মাহদী আমিন<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে আলতাফ হুসাইনের দায়িত্ব গ্রহণ দ্রুত খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজার : মাহদী আমিন

সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : দেশে চলমান জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট নিরসনে সক্ষম ব্যবসায়ী ও ডিলারদের দ্রুত ব্যক্তিগতভাবে তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। একইসঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তৈরি করা একটি ‘কৃত্রিম সংকট’ হিসেবে অভিহিত করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (১৪ মার্চ) সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সরকারকে এই প্রস্তাব ও অভিযোগ জানানো হয়।

বিপিসির বিরুদ্ধে ‘বিভ্রান্তি’ ছড়ানোর অভিযোগ বিবৃতিতে বলা হয়, বিপিসির চেয়ারম্যানসহ কিছু অসাধু কর্মকর্তা জ্বালানি সচিবকে ভুল তথ্য দিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনা ছাড়াই গত ১০-১২ দিন ধরে সারাদেশে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। সরকারি ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রেখে রেশনিংয়ের নামে স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, যাকে ‘প্রতারণামূলক কাজ’ বলে উল্লেখ করেছে মালিক সমিতি।

সংগঠনটির মতে, বিপিসি ও মন্ত্রণালয়ের এই ‘বাস্তবতা-বিবর্জিত’ রেশনিং প্রক্রিয়ার কারণে নতুন সরকারকে অহেতুক জনরোষ ও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে।

সঙ্কটের বাস্তব চিত্র মালিক সমিতির দাবি, গণমাধ্যমে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত থাকার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে ডিলাররা চরম সংকটে রয়েছেন। অনেক ডিপোতে তেল রাখার পর্যাপ্ত জায়গা নেই এবং তেলবাহী জাহাজ জেটিতে অপেক্ষায় থাকলেও পাম্পগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ মিলছে না। ফলে তেল আসার মাত্র ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেই পাম্পগুলো আবার শূন্য হয়ে পড়ছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি ট্যাঙ্কলরি ২০০-২৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ডিপোতে এসে মাত্র ৪ থেকে ৬ হাজার লিটার তেল পাচ্ছে। এতে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ হচ্ছে, কিন্তু সরকার নির্ধারিত অভিন্ন মূল্যে তেল বিক্রি করায় সেই অতিরিক্ত ব্যয় সমন্বয়ের কোনো সুযোগ থাকছে না।

মালিক সমিতির প্রস্তাব মালিক সমিতির মতে, গত ১০-১২ দিনের এই ঘাটতি আগামী এক মাসেও সাধারণ সরবরাহ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই ডিলারদের চাহিদা অনুযায়ী দ্রুত তেল সরবরাহ করা জরুরি।

বিবৃতিতে প্রস্তাব করা হয়, সরকার যদি পর্যাপ্ত তেল আমদানিতে সময় নেয় বা অপারগ হয়, তবে যে সকল ব্যবসায়ীর সক্ষমতা আছে তাদের মাধ্যমে দ্রুত আমদানির অনুমতি দিয়ে বিপিসিকে তেল সরবরাহ করা যেতে পারে। এতে বর্তমান সংকট মোকাবিলা করা সহজ হবে এবং জনভোগান্তি কমবে।