বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৮.১% প্রবৃদ্ধি, সংগ্রহ ৩৪.৮৪ বিলিয়ন ডলার; রিজার্ভ ৩৫.৭৪ বিলিয়ন ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ‘গ্রাহক ফোরাম’-এর বিএটি বাংলাদেশের ‘হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লশন পদে রায়হান আহমেদের যোগদান

রপ্তানি বাড়াতে শিপিং ডকুমেন্ট পাঠানোর নিয়ম শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে রপ্তানিকারকদের জন্য নতুন সুবিধা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ১ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্য পর্যন্ত পণ্যের শিপিং ডকুমেন্ট বা জাহাজীকরণ দলিলাদি সরাসরি বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পাঠানোর অনুমতি পাবেন রপ্তানিকারকরা।

সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। বিশ্ববাণিজ্যে আরও গতিশীলতা ও নমনীয়তা আনাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সার্কুলার অনুযায়ী, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো এখন থেকে রপ্তানিকারকদের বিদেশি আমদানিকারক বা তাদের মনোনীত পক্ষের নামে শিপিং ডকুমেন্ট প্রস্তুত করার অনুমতি দিতে পারবে। এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে, রপ্তানিকারকরা এসব দলিলাদি সরাসরি আমদানিকারক বা তাদের প্রতিনিধিদের কাছে পাঠাতে পারবেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, অনেক বিদেশি ক্রেতা পণ্য দ্রুত খালাসের সুবিধার্থে তাদের নিজেদের নামে শিপিং ডকুমেন্ট ইস্যু করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাদের সেই চাহিদার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নমনীয়তা বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক হতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে রপ্তানি আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিছু শর্ত আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকগুলোকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে সংশ্লিষ্ট পণ্যের বিপরীতে একটি বৈধ রপ্তানি আদেশ রয়েছে। এছাড়া বিদেশি ক্রেতা বা প্রেরকের পরিচয় সম্পর্কে যথাযথভাবে ‘ডিউ ডিলিজেন্স’ বা প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট খাতের অংশীজনরা এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলছেন, এই সুবিধা বৈশ্বিক বাজারে ব্যবসা করার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রপ্তানি আয় দেশে ফিরিয়ে আনার কাঠামো বজায় রেখেই ক্রেতাদের চাহিদা পূরণে এটি বড় ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।