বুধবার ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে মূল ভিত্তি ‘বিশ্বাস’: তানভীর শাহরিয়ার গনি পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র সংকটের মাঝেই বাড়ল এলপিজির দাম, খুচরা বাজারে অস্থিরতা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার: রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমে ৫ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ইস্তাম্বুল : আমদানির তুলনায় রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক আয়ের ইতিবাচক ধারায় ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের চলতি হিসাবের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বুধবার ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস (বিইএ) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এই ঘাটতি আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২০.২ শতাংশ কমে ১৯০.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকের পর সর্বনিম্ন।

বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২১১ বিলিয়ন ডলার। তবে প্রকৃত তথ্য প্রত্যাশার চেয়েও অনেক ইতিবাচক ফল দেখিয়েছে। উল্লেখ্য, ওই বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে সংশোধিত ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৩৯.১ বিলিয়ন ডলার।

বিইএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় এই ঘাটতির হার ৩.১ শতাংশ থেকে কমে ২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক আয় (Primary Income) ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে রূপান্তরিত হওয়ার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

রপ্তানি ও আয়ের চিত্র: ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে পণ্য ও সেবা রপ্তানি এবং বিদেশ থেকে আসা আয়ের পরিমাণ ৩২.৪ বিলিয়ন ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৩ ট্রিলিয়ন ডলারে। এর বিপরীতে পণ্য আমদানি এবং বিদেশিদের পাওনা পরিশোধের পরিমাণ ১৬ বিলিয়ন ডলার কমে ১.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

বিনিয়োগ ও সম্পদ পরিস্থিতি: প্রতিবেদন অনুযায়ী, চতুর্থ প্রান্তিক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিট আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের অবস্থান ছিল নেতিবাচক ২৭.৫৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২.৯৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং দায়ের পরিমাণ ৭০.৪৯ ট্রিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, চলতি হিসাবের এই ঘাটতি কমে আসা মার্কিন অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে দেশটির সক্ষমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।