সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই এলো ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করল বাংলাদেশ ব্যাংক পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ নিতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স; ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw>

মার্কিন পেন্টাগনের দুশ্চিন্তার মূল কারণগুলো

যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে ৪-৫ সপ্তাহব্যাপী হামলার কথা ভাবছে, তখন তাদের সামনে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে:

১. ইন্টারসেপ্টর সংকট (The Interceptor Gap): ইরান যখন ঝাঁকে ঝাঁকে ড্রোন বা ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে, তখন সেগুলো মাঝ আকাশে ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘এসএম-৩’ (SM-3) বা ‘প্যাট্রিয়ট’ (Patriot) মিসাইল ব্যবহার করতে হয়। প্রতিটি ইন্টারসেপ্টরের দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার এবং এগুলো তৈরি করতে দীর্ঘ সময় লাগে। বর্তমানে এগুলো যে হারে খরচ হচ্ছে, উৎপাদনের গতি তার চেয়ে অনেক কম।

২. প্রিসিশন গাইডেড মিউনিশন (PGMs): ইরানের ভূগর্ভস্থ টানেল বা শক্ত বাঙ্কার ধ্বংস করতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যভেদী বোমার (যেমন- JDAM বা Tomahawk) প্রয়োজন। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে এই ধরনের বোমার মজুদ আগে থেকেই কিছুটা চাপের মুখে রয়েছে। পেন্টাগন আশঙ্কা করছে, ইরানে দীর্ঘস্থায়ী অভিযানে নামলে অন্য কোনো ফ্রন্টে (যেমন তাইওয়ান বা পূর্ব ইউরোপ) যুদ্ধের জন্য পর্যাপ্ত অস্ত্র অবশিষ্ট থাকবে না।

৩. শিল্প সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা: বিশ্লেষক ঝাং জুনশে যে ‘ডি-ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন’-এর কথা বলেছেন, তার অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অস্ত্র কারখানা এখন আগের মতো দ্রুত গতিতে সরঞ্জাম তৈরি করতে পারে না। একটি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ এবং তা তৈরিতে অনেক সময় কয়েক মাস থেকে বছরও লেগে যায়।


আপনার সংবাদের জন্য একটি বিশেষ ‘ইনফোবক্স’ বা চার্ট:

অস্ত্রের ধরনব্যবহারের ক্ষেত্রবর্তমান চ্যালেঞ্জ
প্যাট্রিয়ট/এসএম-৩আকাশ প্রতিরক্ষামজুদের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয়।
টমাহক মিসাইলদূরপাল্লার নিখুঁত হামলাবড় আকারে হামলা চালানোর মতো পর্যাপ্ত উৎপাদন নেই।
আর্টিলারি রাউন্ডস্থল যুদ্ধ (প্রয়োজন হলে)ইউক্রেন সরবরাহের কারণে ঘাটতি বিদ্যমান।
বাঙ্কার বাস্টারভূগর্ভস্থ স্থাপনা ধ্বংসনির্দিষ্ট এবং সীমিত সরবরাহ।

উপসংহার:

সংবাদ বিশ্লেষক হিসেবে আপনি এটি হাইলাইট করতে পারেন যে, ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক লক্ষ্য এবং পেন্টাগনের লজিস্টিক বাস্তবতার মধ্যে একটি বড় ফারাক রয়েছে। গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসা মানে কেবল যুদ্ধ থেমে যাওয়া নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী প্রভাব বা ‘ডিটারেন্স’ (Deterrence) দুর্বল হয়ে পড়া।