সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে বার্ষিক ভ্রমণ কোটা বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইউকেইএফ-এর গোলটেবিল বৈঠক রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান: আইজিসির গোলটেবিল বৈঠক ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন হচ্ছে, শোধন ক্ষমতা বেড়ে হবে ৪৫ লাখ টন পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ প্রণোদনা ও বয়সসীমা ৫৫ করার দাবি বিজিএমইএর নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিকস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো

বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেজা’র অধীনে: নতুন অধ্যাদেশ জারি

ঢাকা : দেশে বিদ্যমান সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) এখন থেকে সরাসরি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ বা বেজা’র নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। এজন্য ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল আইন, ১৯৯৬’ বাতিল করে নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। 

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গতকাল গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।

নতুন এই অধ্যাদেশের ফলে ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি ইপিজেড এখন থেকে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে।

তবে অধ্যাদেশের ২ ধারায় বলা হয়েছে, রহিতকরণ সত্ত্বেও আগের আইনের অধীনে ইতোপূর্বে সম্পাদিত সকল কার্যাবলি বা গৃহীত ব্যবস্থা এই অধ্যাদেশের আওতায় সংরক্ষিত থাকবে। 

অধ্যাদেশের ২(২-ক) ধারা অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত সকল বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এখন থেকে ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০’-এর অধীনে ‘বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অঞ্চলের পরিচালনা ও তদারকি কার্যাবলি ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ (বেজা)’র ওপর ন্যস্ত থাকবে।

এছাড়া, আগের আইনের অধীনে প্রাপ্ত লাইসেন্সগুলো বৈধ থাকবে, ফলে উদ্যোক্তাদের নতুন করে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে না। একইসঙ্গে বেসরকারি ইপিজেডগুলোতে বিদ্যমান বন্ডেড ও রেয়াতি সুবিধাগুলোও আগের মতো বহাল থাকবে। তবে বেজা এসব অঞ্চলের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে বলে অধ্যাদেশে বলা হয়েছে।

অধ্যাদেশে জনবল ও প্রশাসনিক বিষয়ে বলা হয়, বেসরকারি ইপিজেড পরিচালনার জন্য গঠিত পূর্বের ‘গভর্নর বোর্ড’ ও ‘নির্বাহী সেল’ বিলুপ্ত করা হয়েছে। নির্বাহী সেলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরাসরি বেজা-তে বদলি হবেন এবং তাদের চাকরির পূর্বের শর্তাবলি আপাতত অপরিবর্তিত থাকবে। 

এছাড়া, বিলুপ্ত বোর্ড বা সেলের পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান কোনো মামলা বা আইনি কার্যক্রম এখন থেকে বেজা’র আইনি কার্যক্রম হিসেবেই চলমান থাকবে।

উল্লেখ্য, দেশের বিনিয়োগ ও রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে বেসরকারি খাতে ইপিজেড স্থাপনের সুযোগ দিয়ে তৎকালীন সরকার ওই আইনটি প্রণয়ন করেছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইনটির কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এটি রহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।বাসস