শনিবার ২ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লম্ফন: এপ্রিলের ২৯ দিনেই এলো ৩০০ কোটি ডলার ইসলামী ব্যাংক খাতে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি; বিতর্কিত সিদ্ধান্তে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকারদের উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রথম প্রান্তিকে সিটি ব্যাংকের মুনাফায় ১৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি; ঋণ প্রবাহ নিয়ে এমডির উদ্বেগ সার্ক শক্তিশালী হলে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে: নজরুল ইসলাম খান<gwmw style="display:none;"></gwmw> বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে নীতি সংস্কারের তাগিদ ব্যবসায়ী নেতাদের<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিতে কঠোর বিএফআইইউ: শীর্ষ কর্মকর্তাদের নৈতিক অঙ্গীকারনামা বাধ্যতামূলক অভিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক নয়: নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেড় মাসে হামের উপসর্গে ২২৭ শিশুর মৃত্যু: ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৮৮ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের দাম ১২২.৭৫ টাকায় স্থিতিশীল

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে নীতি সংস্কারের আহ্বান

ঢাকা– বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন বক্তারা। তাঁরা বলেছেন, বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এই পরিবেশ অপরিহার্য।

গতকাল সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই)-এর গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তাঁরা এসব কথা বলেন। এমসিসিআই ও পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ (পিইবি) যৌথভাবে এই বৈঠকের আয়োজন করে, যা অস্ট্রেলিয়া সরকারের ডিপার্টমেন্ট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেড (ডিএফএটি)-এর সহায়তায় অনুষ্ঠিত হয়।

“অর্থনৈতিক মোড় ঘোরানোর পথ: ব্যবসায়িক পরিবেশের অবস্থা এবং অগ্রাধিকার” শীর্ষক এই বৈঠকে বক্তারা উল্লেখ করেন, ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। কম বিনিয়োগ, সীমিত রপ্তানি বৈচিত্র্য এবং দুর্বল প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)-এর মতো কাঠামোগত দুর্বলতা এই চ্যালেঞ্জকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক সংস্কার এবং সুশাসন ব্যবস্থা অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের নতুন আশা জাগিয়েছে।

বৈঠকের প্রধান আলোচক ও অংশগ্রহণকারীরা প্রধান অতিথি : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নিয়ন্ত্রণমূলক সংস্কারের ওপর জোর: বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিডা-এর নির্বাহী সদস্য শাহ মোহাম্মদ মাহবুব এবং অস্ট্রাডের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমিশনার বেন কারসন। তাঁরা উভয়েই বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে নিয়ন্ত্রণমূলক সংস্কার এবং বৈশ্বিক অংশীদারত্বের ওপর জোর দেন।

ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নতির তাগিদ: পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. মাসরুর রিয়াজ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি ব্যবসায়িক পরিবেশের জরুরি উন্নতি সাধন এবং বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

শিল্প খাতের গুরুত্বপূর্ণ মতামত: প্যানেলিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের সিইও মোহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী এবং নিউএজ গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম। তাঁরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রধান চ্যালেঞ্জ ও সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

এই বৈঠকটি বিভিন্ন সরকারি, শিল্প ও কূটনৈতিক মহল থেকে আসা উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়ে সবাই তাঁদের মতামত প্রকাশ করেন।এই গোলটেবিল বৈঠকের মতো একটি প্রাসঙ্গিক আলোচনার বিষয়কে সমর্থন করতে এই ভিডিওটি বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আরও গভীর বিশ্লেষণ করে।

[