বুধবার ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে মূল ভিত্তি ‘বিশ্বাস’: তানভীর শাহরিয়ার গনি পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র সংকটের মাঝেই বাড়ল এলপিজির দাম, খুচরা বাজারে অস্থিরতা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার: রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি

দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী: ২৮ ডিসেম্বর শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা : বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে পরিবর্তন আসছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশ ও নিয়োগের কার্যকারিতা আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ প্রদান করেছেন।

বর্তমান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন। এরপরই ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নিয়োগ কার্যকর হবে।

পেশাগত ও পারিবারিক পরিচয় বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের এক সম্ভ্রান্ত বিচারক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক নিচে দেওয়া হলো:

জন্ম ও পরিবার: ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ছিলেন।

শিক্ষাজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর উচ্চতর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

আইনপেশা: ১৯৮৫ সালে তিনি জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

বিচারিক পথচলা:২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০০৫ সালে তিনি স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। সবশেষ ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।

আগামী দিনের প্রত্যাশা বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে তাঁর এই নিয়োগকে আইন অঙ্গনের অভিজ্ঞ মহল ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দেশের বিচারিক স্বাধীনতা রক্ষা এবং বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।—আমি কি আপনাকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা অথবা নতুন প্রধান বিচারপতির পূর্ববর্তী কোনো ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে আরও তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারি?