মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকা ইপিজেডে দুটি আধুনিক ওয়েব্রিজ উদ্বোধন করলেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে

জুলাই-আগস্টের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ১২ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় পোশাক খাত

ঢাকা, ১৫ আগস্ট (বিডিইকোনমি)- তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কথা জানিয়ে জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন না দিয়ে ১২টি সমান মাসিক কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)।

গত ৯ আগস্ট বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাকেম এই অনুরোধ জানান। শনিবার (১৫ আগস্ট) সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

চিঠিতে বলা হয়, জুলাই ও আগস্ট মাসে তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অধিকাংশ শিল্পকারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে ওপেন সিলিন্ডার বা ক্যাসকেড সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ স্থগিত থাকায় অনেক কারখানা স্বাভাবিক উৎপাদন বজায় রাখতে পারেনি।

উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হওয়া, রপ্তানি আদেশ বাতিল, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ঝুঁকি ও ব্যবসায়িক ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক কারখানা মালিক নগদ অর্থ ব্যয় করে ডিজেল ও এলপিজির মতো বিকল্প জ্বালানি কিনতে বাধ্য হয়েছেন। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এই অপ্রত্যাশিত অতিরিক্ত খরচ কারখানাগুলোর প্রাক্কলিত উৎপাদন খরচের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

বিকেএমইএ জানায়, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে একদিকে উৎপাদন আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, অন্যদিকে বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের কারণে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ফলে জমাকৃত গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধ করা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

সংগঠনটি জোর দিয়ে বলেছে, বকেয়া বিল পরিশোধের জন্য সময় বাড়ানো এবং কিস্তির সুযোগ দেওয়া হলে কারখানাগুলোর ওপর থেকে আর্থিক চাপ কমবে, যা উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখার পাশাপাশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান রক্ষা করতে সহায়ক হবে।

চিঠিতে মোহাম্মদ হাতেম পুনর্ব্যক্ত করেন, রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখা, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন অব্যাহত রাখা এবং কর্মসংস্থান রক্ষার স্বার্থে জুলাই ও আগস্টের ইউটিলিটি বিল ১২ মাসের কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ দেওয়া জরুরি।

চিঠির অনুলিপি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এবং তিতাস গ্যাস, ডিপিডিসি, আরইবি ও ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

শিল্প উদ্যোক্তারা সতর্ক করে দিয়ে বলেন, উৎপাদন ব্যাহতের ক্ষতির ওপর যদি এককালীন বিল পরিশোধের চাপ আসে, তবে অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের টিকে থাকা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। এ সংকটকালে কিস্তি সুবিধা প্রদান করা হলে তা কারখানাগুলোকে সচল রাখতে এবং দেশের রপ্তানি আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে বলে আশা করে বিকেএমইএ।