শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
‘লকড অ্যান্ড লোড’ থেকে আকস্মিক বিরতি: ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের রণকৌশল বদলের নেপথ্যে কেউ বিএনপিকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবে : বদিউল আলম মজুমদার প্রতিযোগিতামূলক বাজারেও ইউরোপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৮ বিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়েছে জুলাই যোদ্ধাদের ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ সংক্রান্ত সব কর্মকাণ্ডে পূর্ণ ‘দায়মুক্তি’ গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সপরিবারে সাক্ষাৎ করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারিক রহমান ব্যাংকিং খাতে তারল্য স্বাভাবিক রাখতে ৯ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২ বছর কোনো মুনাফা পাবেন না: গভর্নর

জিয়াউর রহমানের পাশেই দাফন করা হবে বেগম খালেদা জিয়াকে, জানাজা ও দাফনস্থলে সাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে এই দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দাফন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সাধারণ জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দাফনস্থলে শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই উপস্থিত থাকতে পারবেন।

জানাজা ও দাফনের সময়সূচি:

  • জানাজা: বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
  • দাফন: জানাজা শেষে দুপুর সাড়ে ৩টায় চন্দ্রিমা উদ্যানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে।

নিরাপত্তা নির্দেশনা:

নিরাপত্তার স্বার্থে জানাজা ও দাফনস্থলে আগত আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের কোনো ধরনের ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া বুধবার থেকে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬) পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এই সময়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাসে শোক বই খোলা হবে।