মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকা ইপিজেডে দুটি আধুনিক ওয়েব্রিজ উদ্বোধন করলেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে

জাল নথিতে ১৭৬ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ: সাবেক ৩ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : শুল্ক সুবিধার অপব্যবহার ও জাল দলিল ব্যবহার করে সরকারের প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক তিন কাস্টমস কর্মকর্তাসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুমোদিত চার্জশিট দুটি ভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত:

প্রথম মামলা (প্রায় ৮০.৯২ কোটি টাকা আত্মসাৎ)

প্রথম চার্জশিটে জাল দলিল ব্যবহার এবং কম শুল্কযুক্ত পণ্য ঘোষণা দিয়ে সরকারের প্রায় ৮০ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার আসামি হলেন মোট চারজন:

  • গ্যানী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মোহাম্মদ কাসিফ ফোরকান
  • মেসার্স সাই অ্যান্ড কোং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল চৌধুরী
  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম
  • আমদানিকারক শওকত আনোয়ার চৌধুরী

দ্বিতীয় মামলা (প্রায় ৯৪.৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ)

দ্বিতীয় চার্জশিটে চীন থেকে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানির সময় মিথ্যা ঘোষণা, কম শুল্কযুক্ত এইচএস কোড ব্যবহার এবং জাল নথির মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার আসামি হলেন মোট তিনজন:

  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ন কবির
  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান
  • সাদমান এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আবুল হাসনাত সোহাগ

তদন্তের সূত্র

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অসদাচরণের মাধ্যমে ভুয়া জাহাজি দলিল তৈরি ও ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আত্মসাৎ করেছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।