শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তার মেয়াদ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক পরিবহন খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় একীভূত নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট: দোকান মালিক সমিতি পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিজিএমইএ ও আইভি ডিকার্ব-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর তেল-গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তোড়জোড়: নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় সাধারণ মানুষের সৌদি তেলের জাহাজ বন্দরে: পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে ভুক্তভোগী আমানতকারীদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ মূল শিরোনাম: দেশে ফের বাড়ল মূল্যস্ফীতি, এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে

জাল নথিতে ১৭৬ কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাৎ: সাবেক ৩ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : শুল্ক সুবিধার অপব্যবহার ও জাল দলিল ব্যবহার করে সরকারের প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক তিন কাস্টমস কর্মকর্তাসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের অনুমোদিত চার্জশিট দুটি ভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত:

প্রথম মামলা (প্রায় ৮০.৯২ কোটি টাকা আত্মসাৎ)

প্রথম চার্জশিটে জাল দলিল ব্যবহার এবং কম শুল্কযুক্ত পণ্য ঘোষণা দিয়ে সরকারের প্রায় ৮০ কোটি ৯২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার আসামি হলেন মোট চারজন:

  • গ্যানী ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মোহাম্মদ কাসিফ ফোরকান
  • মেসার্স সাই অ্যান্ড কোং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তফা কামাল চৌধুরী
  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. শফিউল আলম
  • আমদানিকারক শওকত আনোয়ার চৌধুরী

দ্বিতীয় মামলা (প্রায় ৯৪.৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ)

দ্বিতীয় চার্জশিটে চীন থেকে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানির সময় মিথ্যা ঘোষণা, কম শুল্কযুক্ত এইচএস কোড ব্যবহার এবং জাল নথির মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৯৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার আসামি হলেন মোট তিনজন:

  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ন কবির
  • সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান
  • সাদমান এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. আবুল হাসনাত সোহাগ

তদন্তের সূত্র

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা, জালিয়াতি ও অসদাচরণের মাধ্যমে ভুয়া জাহাজি দলিল তৈরি ও ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আত্মসাৎ করেছেন।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।