মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত ২০ দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত প্রত্যাহার ৩,২৪৫ কোটি টাকা ঢাকার বসুন্ধরায় সনির প্রথম অনুমোদিত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার উদ্বোধন সাড়ে ৫ বছর পর ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ১৪তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনে বদলে যাচ্ছে খানাপিনার অভ্যাস, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: গবেষণা কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এসডিজি অর্জনে গতি বৃদ্ধি ও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার দাবি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো তিতাস-২৮ কূপের গ্যাস, দৈনিক মিলবে ১২-১৩ এমএমসিএফডি

জাল টাকা রাখলে বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, (বিডি ইকোনমি)-

ঢাকা, ০৯ জুলাই : দেশের বাজারে জাল নোটের বিস্তার রোধ এবং আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে জাল টাকা নিজের কাছে রাখা, লেনদেন বা ব্যবহার করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইনি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) ব্যাংকিং অনুবিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাল মুদ্রার বাজার তৈরি এবং এর প্রচলন রোধে এই কঠোর শাস্তির বিধান আনা হয়েছে। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে সুরক্ষিত রাখা এবং সাধারণ নাগরিকদের প্রতারণার হাত থেকে বাঁচানোই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

নতুন এই আইনি কাঠামো অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে জেনেশুনে জাল ব্যাংক নোট কাছে রাখা, ব্যবহার করা কিংবা এর মাধ্যমে কোনো ধরণের লেনদেনে জড়ানোকে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। অপরাধের গুরুত্ব এবং জব্দকৃত জাল নোটের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে অপরাধীকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং একই সাথে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানাও করা হতে পারে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই কঠোর আইন বাস্তবায়নের ফলে বাজারে জাল নোট তৈরি, বিতরণ এবং চোরাচালানের সাথে জড়িত বড় বড় সিন্ডিকেট চক্রগুলোর তৎপরতা অনেকটাই কমে আসবে। এটি জাল টাকার চক্রগুলোর বিরুদ্ধে একটি বড় প্রতিরোধক (Deterrent) হিসেবে কাজ করবে।

নতুন এই আইনের কার্যকারিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষ শিগগিরই দেশব্যাপী ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করবে বলে জানা গেছে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আসল ব্যাংক নোট চেনার উপায় শেখানো হবে এবং কোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড দেখলে তা তাৎক্ষণিকভাবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করা হবে।