সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই এলো ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করল বাংলাদেশ ব্যাংক পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ নিতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স; ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw>

চীনে মূল্যস্ফীতিতে স্থবিরতা: জানুয়ারিতেও অপরিবর্তিতভোক্তা সূচক, কমেছে উৎপাদন ব্যয়

ইস্তাম্বুল/বেইজিং : বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনে নতুন বছরের প্রথম মাসেও স্থবির হয়ে আছে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম। বুধবার চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (NBS) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, দেশটিতে বর্তমানে এক ধরনের ‘ডিফ্লেশনারি’ বা মুদ্রাসংকোচনের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

প্রধান সূচকগুলোর চিত্র

চীনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে অর্থনৈতিক সূচকগুলোর অবস্থা ছিল নিম্নরূপ:

  • ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI): বার্ষিক ভিত্তিতে মাত্র ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে এই বৃদ্ধির হার ছিল ০.৮ শতাংশ, অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির গতি আরও কমেছে।
  • উৎপাদনকারী মূল্য সূচক (PPI): কারখানা পর্যায়ে পণ্যের দাম বা উৎপাদন খরচ কমেছে ১.৪ শতাংশ। যদিও গত ডিসেম্বরের তুলনায় (১.৯ শতাংশ হ্রাস) এই পতনের মাত্রা কিছুটা কম।
  • কোর ইনফ্লেশন: খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাদ দিয়ে কোর ইনফ্লেশন বা মূল মূল্যস্ফীতি ছিল ০.৮ শতাংশ

খাতভিত্তিক মূল্য পরিবর্তন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের দাম ০.৭ শতাংশ এবং জ্বালানির দাম প্রায় ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মূলত এই দুই খাতের দরপতনই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে নিচের দিকে টেনে ধরেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে চীনে ভোক্তা মূল্য সূচক ধারাবাহিকভাবে ১ শতাংশের নিচেই অবস্থান করছে।

লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন ও চ্যালেঞ্জ

টানা কয়েক বছর ধরে চলতে থাকা এই স্থবিরতার কারণে চীন সরকার তাদের বার্ষিক মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে এনেছে। সাধারণত এই লক্ষ্যমাত্রা ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা থাকলেও, মুদ্রাসংকোচনের ঝুঁকি বিবেচনায় এ বছর তা কমিয়ে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার অভাব এবং আবাসন খাতের মন্দাই চীনের এই দীর্ঘমেয়াদী স্বল্প মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ। ২০২৫ সালে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় শূন্যের কোঠায় ছিল এবং ২০২৬ সালের শুরুতেও সেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।