সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে বার্ষিক ভ্রমণ কোটা বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইউকেইএফ-এর গোলটেবিল বৈঠক রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান: আইজিসির গোলটেবিল বৈঠক ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন হচ্ছে, শোধন ক্ষমতা বেড়ে হবে ৪৫ লাখ টন পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ প্রণোদনা ও বয়সসীমা ৫৫ করার দাবি বিজিএমইএর নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিকস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো

গ্লোবাল এনআরবি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৫: ‘লাইফটাইম এক্সিলেন্স’ সম্মানে ভূষিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. ওমর ফারুক খান শরীয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে অসামান্য অবদান এবং প্রভাবশালী নেতৃত্বের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ‘লাইফটাইম এক্সিলেন্স ইন ইসলামিক ব্যাংকিং লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন।

গত ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ঢাকার হোটেল শেরাটনে আয়োজিত ‘গ্লোবাল এনআরবি অ্যাওয়ার্ডস-২০২৫’ অনুষ্ঠানে তাকে এই বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে ‘এনআরবি ওয়ার্ল্ড’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যেখানে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসী এবং শিল্পোদ্যোক্তাদের অবদানকে উদ্‌যাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর মো. ওমর ফারুক খানের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন। আঞ্চলিক পর্যায়ে ইসলামী ব্যাংকিংয়ের প্রসারে তার গতিশীল নেতৃত্ব এবং দীর্ঘদিনের নিরলস প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

এনআরবি ওয়ার্ল্ড-এর প্রতিষ্ঠাতা এনামুল হক এনামের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫টি দেশের প্রবাসী উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী, শিল্পপতি এবং আইটি পেশাজীবীসহ দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের শুরুর দিকে দেশের বৃহত্তম শরীয়াহ-ভিত্তিক এই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন মো. ওমর ফারুক খান। ১৯৮৬ সালে ইসলামী ব্যাংকে যোগদানের পর থেকে দীর্ঘ প্রায় চার দশকের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ব্যাংকের আধুনিকায়ন ও সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তার বর্তমান মেয়াদে ইসলামী ব্যাংক জাতীয় অর্থনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখার পাশাপাশি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ স্থান ধরে রেখেছে। এই পুরস্কার প্রাপ্তি দক্ষিণ এশিয়ার ইসলামী অর্থায়নের আধুনিকায়নে তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং ব্যাংকের সুনামকে আরও সুসংহত করল।