বুধবার ১০ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
তীব্র তারল্য সংকটে ইসলামী ব্যাংক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটির জরুরি সহায়তা আবেদন ইসলামী ব্যাংকে টানা ৭ম দিনের বিক্ষোভ: চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের অপসারণ দাবি গ্রাহকদের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ধস: সরকারকে ‘নীতি সহায়তা চার্টার’ দেবে বিজিএমইএ কৃষকদের জন্য সুখবর: ৮% সুদে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ হাজার কোটির পুনঃঅর্থায়ন তহবিল ব্যাংক রেজুলেশন আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা নিয়ে উদ্বেগ জানাল সম্পাদক পরিষদ সাম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে নতুন চেয়ারম্যান ও এমডি নিয়োগ স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের সিইও নাসের এজাজ বিজয়ের পদত্যাগ আইসিএবি-এর উদ্যোগে ‘উইমেন ইন লিডারশিপ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কনফারেন্স ২০২৬’ অনুষ্ঠিত ১১ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩.৪১%: ইইউ-ইউএসএতে মন্দা হলেও কানাডায় প্রবৃদ্ধি

গত অর্থবছরে পোশাক এক্সেসরিজ খাতে রেকর্ড ৭.৪৫ বিলিয়ন ডলার আয়: বিজিএপিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) জানিয়েছে, বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের পোশাক এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং খাত থেকে রেকর্ড ৭.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার অর্জিত হয়েছে সরাসরি রফতানির মাধ্যমে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চার দিনব্যাপী ‘১৫তম গ্যাপেক্সপো (GAPEXPO)-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী।

পন্যের গুরুত্ব ও কর্মসংস্থান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং খাত এখন দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পের মূল ভিত্তি বা ‘ব্যাকবোন’ হিসেবে কাজ করছে। খাতের বর্তমান চিত্র:

কর্মসংস্থান: বর্তমানে ৭ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা এই খাতের ওপর নির্ভরশীল।

সদস্য সংখ্যা: বিজিএপিএমইএ-র অধীনে বর্তমানে ২,০০০-এর বেশি সদস্য কারখানা রয়েছে।

আমদানি বিকল্প: এক সময় এই এক্সেসরিজের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হতো, যা ছিল ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। বর্তমানে স্থানীয় শিল্পই রফতানি খাতের অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় সম্পূর্ণ অংশ মেটাতে সক্ষম, যা দেশের পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে স্বীকৃতি অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সরকারের নীতিগত সহায়তার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের জন্য ‘পেপার প্যাকেজিং পণ্য’-কে ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিজিএপিএমইএ এই সিদ্ধান্তকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছে। সংগঠনটি মনে করে, এই স্বীকৃতির ফলে খাতটিতে নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানি আয়ও বহুগুণ বাড়বে।

বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান, বিজিএমইএ-র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকারসহ শিল্প খাতের শীর্ষ নেতারা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সঠিক নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা পেলে এই খাতের রফতানি সম্ভাবনা আরও বিশাল। তারা বিশেষ করে পেপার প্যাকেজিং খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের বিশেষ নজরদারি ও সহজতর নীতিমালার ওপর জোর দেন।