সোমবার ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে বার্ষিক ভ্রমণ কোটা বাড়িয়ে ১৮ হাজার ডলার করল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য বাণিজ্য ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ইউকেইএফ-এর গোলটেবিল বৈঠক রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাই রোহিঙ্গা সংকটের মূল সমাধান: আইজিসির গোলটেবিল বৈঠক ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়ন হচ্ছে, শোধন ক্ষমতা বেড়ে হবে ৪৫ লাখ টন পোশাক শ্রমিকদের সর্বজনীন পেনশনে অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ প্রণোদনা ও বয়সসীমা ৫৫ করার দাবি বিজিএমইএর নতুন আমদানি নীতিতে নিট ফেব্রিকস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো

এপ্রিলে প্রথম ১৮ দিনেই আসলো ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাংলাদেশের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। এপ্রিল মাসের প্রথম ১৮ দিনেই দেশে ১.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে এবং এই মাসে মোট রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১-১৮ এপ্রিল সময়ে প্রবাসীরা ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১.৬৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় চলতি মাসের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৬.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

বর্তমান অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে ২৮.১৭ বিলিয়ন ডলারে, যা গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৩.৪৭ বিলিয়ন ডলার। বছরওয়ারি হিসাবে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

বিশ্লেষক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই বলিষ্ঠ প্রবৃদ্ধির পেছনে বেশ কিছু মূল কারণ উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে মার্কিন ডলারের স্থিতিশীল বিনিময় হার, উন্নত অর্থনীতিতে প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান আয়ের মাত্রা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ধারাবাহিক পুনরুদ্ধার।

অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই ধারা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন যে, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতি কমাতে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।