মঙ্গলবার ৩ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইরানে হামলায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার: যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw> রপ্তানি সংকটের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বেতন দিতে বিশেষ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: গভর্নর রপ্তানি খাতে ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়: সরকারকে বিজিএমইএ’র ধন্যবাদ ডিসেম্বরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা মার্কিন পেন্টাগনের দুশ্চিন্তার মূল কারণগুলো<gwmw style="display: none; background-color: transparent;"></gwmw> বিশ্লেষণ: ইরানে দীর্ঘমেয়াদী হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, কিন্তু ফুরিয়ে আসছে কি গোলাবারুদের মজুদ? জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে রপ্তানি আয় ৩১.৯১ বিলিয়ন ডলার; কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ সোনালী ব্যাংক, আইডিআরএ এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানদের পদত্যাগ

ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাত: এস আলম ও নাবিল গ্রুপের মালিকসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ঢাকা: ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ ও নাবিল গ্রুপের দুই কর্ণধারসহ মোট ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ এই মামলা দায়ের করা হয়।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান ‘নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’-এর নামে ইসলামী ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং জালিয়াতি ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ৬৭০ কোটি টাকার ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন ও সুপারিশ করেন।

মঞ্জুরকৃত এই ঋণের মধ্যে ৩৬৩ কোটি টাকা বিতরণ দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দুদকের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ:

মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন এস আলম গ্রুপের মালিক মো. সাইফুল আলম, নাবিল গ্রুপের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, সোনালী ট্রেডার্সের পরিচালক শহিদুল আলম, সেঞ্চুরি ফ্লাওয়ার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন অর রশিদ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

এছাড়াও, ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, সাবেক ডিএমডি মিফতাহ উদ্দিন, এবং আরও বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন ও নিম্নপদস্থ কর্মকর্তাসহ মোট ৪৩ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী এবং ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সামনে এসেছে।