নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ‘বিশ্ব আবহাওয়া দিবস’ পালিত হয়েছে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘আজকের পর্যবেক্ষণ, আগামীর সুরক্ষা’।
দিবসটি উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে ছিল ফটোগ্রাফি, বক্তৃতা এবং পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা।
সোমবার (১৮ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এম এ লতিফ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম।
আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. রবিউল আউয়ালের সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য চিলড্রেনের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর এ এস এম রহমত উল্লাহ ভুইয়া।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর এবং বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ও সহযোগী অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার দিবসের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন।
এছাড়া সাউথ এশিয়ান মিটিওরোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন (এসএএমএ)-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. অজিত তেয়াগি ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সোমেশ্বর দাস ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন। হাইড্রো-ক্লাইমেট অ্যান্ড ওশান সেন্টার (এইচসিও)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. মোহন কুমার দাস ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাতেমা তুজ জোহরা ও আল-নাইফ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, “বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ ও পানিদূষণের মতো বিভিন্ন মানবসৃষ্ট দূষণের কারণে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। এর ফলে এখন অতিবৃষ্টি, বন্যা, খরা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বাড়ছে।”
জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে অভিযোজনের (adaptation) ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনৈতিক ও সার্বিক উন্নয়নকে টেকসই করতে পারলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।