শুক্রবার ৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিএমএসএমই খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নভেম্বরের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী তুরস্ক, এফএসআরইউ ও এলএনজি খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব ক্যাশলেস স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট চালু<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির সম্ভাবনা যাচাই করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায়

মন্ত্রীর ‘সমঝোতা’র বক্তব্য অনিয়মকে বৈধতা দেওয়ার শামিল: ডা. তাসনিম জারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : সড়কে চাঁদা আদায়কে ‘সমঝোতা’ বা ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম রবির দেওয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছেন ডা. তাসনিম জারা। তিনি বলেছেন, মন্ত্রী যাকে ‘সমঝোতা’ বলছেন, তা মূলত সাধারণ চালকদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া একটি অবৈধ পদ্ধতি।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ডা. জারা এই প্রতিক্রিয়া জানান।

‘সমঝোতা’ নাকি জোরপূর্বক আদায়?

তাসনিম জারা বলেন, নির্দিষ্ট রুটে গাড়ি চালাতে গেলে চালকদের বাধ্যতামূলকভাবে নির্দিষ্ট সংগঠন বা গোষ্ঠীকে টাকা দিতে হয়। একে সমঝোতা বলা মানে হলো একটি সুষ্পষ্ট অনিয়মকে বৈধতার ভাষা দেওয়া। তিনি উল্লেখ করেন, “এই অবৈধ লেনদেনের সরাসরি প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের পকেটে। বাসভাড়া বৃদ্ধি এবং বাজারে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার অন্যতম কারণ এই অলিখিত চাঁদা।”

রাজনৈতিক আধিপত্য ও স্বচ্ছতার প্রশ্ন

পরিবহণ মন্ত্রীর দেওয়া ‘যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তাদের আধিপত্য থাকে’—এই বক্তব্যের সূত্র ধরে সাবেক এই এনসিপি নেত্রী প্রশ্ন তোলেন, এই অর্থ আদায় কি রাজনৈতিক ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যম? তিনি এর স্বচ্ছ ব্যাখ্যা দাবি করেন।

ডা. জারার প্রস্তাবনা

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং চাঁদাবাজি বন্ধে ডা. তাসনিম জারা কয়েকটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরেন:

  • স্বচ্ছ পদ্ধতি: মালিক বা শ্রমিক সমিতির কল্যাণ তহবিলের জন্য অর্থের প্রয়োজন হলে তা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা বার্ষিক রেজিস্ট্রেশন ফির সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগ্রহ করতে হবে।
  • পূর্ণাঙ্গ অডিট: সড়কে আদায়কৃত কোটি কোটি টাকার অডিট নিশ্চিত করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
  • হতাশার অবসান: সরকারকে অনিয়মকে ‘অলিখিত বিধি’ হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতির শেষে তিনি বলেন, “সড়কের এই অর্থ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের পকেটের টাকা। এটি কোনো গোষ্ঠী বা ব্যক্তির পকেটে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্বহীনতা।”