সোমবার ১৩ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণে বিজিএমইএ ও এইচএসবিসির যৌথ উদ্যোগ, হংকংয়ে তৈরি পোশাক প্রদর্শনীর ঘোষণা বিজিএমইএ ও ওকাইবের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন ও নীতি সংস্কার নিয়ে বৈঠক জাল টাকা রাখলে বা ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড পুঁজিবাজারে নতুন সংস্কারের উদ্যোগ: ভালো কোম্পানির শেয়ারে চালু হচ্ছে একই দিনে কেনাবেচার ‘ডে নেটিং’ সুবিধা অর্থনৈতিক সংকট ও সরকারি ব্যয় হ্রাস : সরকারি কর্মকর্তাদের সুদমুক্ত গাড়িঋণ বন্ধ, বিদেশ সফরে কড়াকড়ি<gwmw style="display:none;"></gwmw> ইসলামী ব্যাংকের উত্তরা শাখায় ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ১৪১ কোটি টাকায় আধুনিকায়ন হচ্ছে নেসকোর ৯ উপকেন্দ্র: অনুমোদন দিল ক্রয় কমিটি<gwmw style="display:none;"></gwmw> ২৫ বছরে এফডিআই ২১৬ কোটি থেকে ১,৯৬৩ কোটি ডলারে: ২৫ বছরে বাংলাদেশে রেকর্ড বিনিয়োগ বৃদ্ধি<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> বিশ্বব্যাংকে বাংলাদেশের পরবর্তী বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হচ্ছেন আব্দুর রহমান খান<gwmw style="display:none;"></gwmw>

ডলারের দর ধরে রাখতে বাজার থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কেনা অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ (১৯৬.৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার প্রতিটি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা দরে কেনা হয়েছে, যা এই লেনদেনের ‘কাট-অফ’ রেট হিসেবে নির্ধারিত ছিল।

ফেব্রুয়ারির প্রথম ৫ দিনেই ৫৮ কোটি ডলার ক্রয়

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পাঁচ কার্যদিবসেই বাজার থেকে মোট ৫৮ কোটি ৬০ লাখ (৫৮৬ মিলিয়ন) ডলার সংগ্রহ করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে গত বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার এবং রোববার (২ ফেব্রুয়ারি) ২১ কোটি ৮৫ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ (৪.৫১ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারে।

কেন ডলার কিনছে বাংলাদেশ ব্যাংক?

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, বর্তমানে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়েছে। সরবরাহ বেশি থাকলে ডলারের দাম অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের নিরুৎসাহিত করতে পারে। মূলত তিনটি প্রধান উদ্দেশ্যে এই ডলার কেনা হচ্ছে: ১. বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা: টাকার মান যাতে ডলারের বিপরীতে খুব দ্রুত বেড়ে না যায় তা নিশ্চিত করা। ২. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি: বাজার থেকে ডলার কিনে জাতীয় রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করা। ৩. রপ্তানিকারক ও প্রবাসীদের স্বার্থ রক্ষা: ডলারের একটি যৌক্তিক মূল্য বজায় রেখে আয়প্রবাহ টেকসই করা।

উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসেও কয়েক দফায় বড় অংকের ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে ৬ জানুয়ারি সর্বোচ্চ ২২ কোটি ৩৫ লাখ ডলার কেনা হয়েছিল। গত বছরের জুলাই থেকে প্রবর্তিত এই ‘অকশন’ বা নিলাম পদ্ধতির মাধ্যমে নিয়মিত বাজার থেকে উদ্বৃত্ত ডলার তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।