রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিতে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু ১৭ অক্টোবর নতুন সংসদ সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইউএনডিপি আজারবাইজানে সিইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির সার্কফাইন্যান্সের কার্যক্রম জোরদার ও ভুটানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর কোর ব্যাংকিং সিস্টেম আপগ্রেড: টানা ৪৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সোনালী ব্যাংকের সব ব্যাংকিং সেবা সোনালী ব্যাংকের ৭ হাজার কোটি টাকার ধারে বৃহস্পতিবার থেকে স্বাভাবিক লেনদেনে ফিরছে ন্যাশনাল ব্যাংক

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স: ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ

ইস্তাম্বুল ডেস্ক — আকাশপথে পরিবহণ ও সেবায় বিশ্বজুড়ে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে এক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে তুরস্কের পতাকাবাহী বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইন্স। শুক্রবার (২ জানুয়ারি, ২০২৬) সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে, তারা বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল এবং ইন-ফ্লাইট ক্যাটারিং (বিমানে খাবার সরবরাহকারী) সুবিধা তৈরি করতে যাচ্ছে।

এই বিশাল প্রকল্পে তারা ১০০ বিলিয়ন তুর্কি লিরা বা প্রায় ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

প্রকল্পের মূল আকর্ষণসমূহ: কর্মসংস্থান: এই বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ২৬ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্বের সেরা হওয়ার লক্ষ্য: টার্কিশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় বিমান সংস্থা। তাদের লক্ষ্য ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি এয়ারলাইন্সের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া।

বিশাল বহর: ২০২৫ সাল নাগাদ সংস্থাটির হাতে ৫১৪টি বিমান রয়েছে, যা ২০৩৩ সালের মধ্যে ৮১৩টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিরাট কর্মযজ্ঞ: বর্তমানে সংস্থাটি বছরে ৮ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি যাত্রী এবং ২০ লাখ টন কার্গো বা পণ্য পরিবহন করছে। নতুন টার্মিনালটি চালু হলে এই সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, “তুরস্ক বড় হচ্ছে, টার্কিশ এয়ারলাইন্স উড়ছে। তুরস্কের পতাকাবাহী ব্র্যান্ড হিসেবে এই অর্জন আমাদের গর্বিত করে।”

যদিও প্রকল্পের নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়নি, তবে তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক বিমান হাব ইস্তাম্বুলেই এটি নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

আরও পড়ুন