মঙ্গলবার ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি বিডিঅ্যাপসের সর্বকনিষ্ঠ ডেভেলপার ১১ বছরের যমজ ভাই তানভীর ও তাফসীর বাংলাদেশ-চীন সুসম্পর্ক সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন তরুণ লেখকরা: লি শাওপেং

বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল নির্মাণ করছে টার্কিশ এয়ারলাইন্স: ২.৩ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ

ইস্তাম্বুল ডেস্ক — আকাশপথে পরিবহণ ও সেবায় বিশ্বজুড়ে নিজেদের আধিপত্য আরও শক্তিশালী করতে এক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে তুরস্কের পতাকাবাহী বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইন্স। শুক্রবার (২ জানুয়ারি, ২০২৬) সংস্থাটি ঘোষণা করেছে যে, তারা বিশ্বের বৃহত্তম কার্গো টার্মিনাল এবং ইন-ফ্লাইট ক্যাটারিং (বিমানে খাবার সরবরাহকারী) সুবিধা তৈরি করতে যাচ্ছে।

এই বিশাল প্রকল্পে তারা ১০০ বিলিয়ন তুর্কি লিরা বা প্রায় ২.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।

প্রকল্পের মূল আকর্ষণসমূহ: কর্মসংস্থান: এই বিশাল বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্তত ২৬ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশ্বের সেরা হওয়ার লক্ষ্য: টার্কিশ এয়ারলাইন্স বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বড় বিমান সংস্থা। তাদের লক্ষ্য ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ৫টি এয়ারলাইন্সের তালিকায় জায়গা করে নেওয়া।

বিশাল বহর: ২০২৫ সাল নাগাদ সংস্থাটির হাতে ৫১৪টি বিমান রয়েছে, যা ২০৩৩ সালের মধ্যে ৮১৩টি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিরাট কর্মযজ্ঞ: বর্তমানে সংস্থাটি বছরে ৮ কোটি ৫০ লাখেরও বেশি যাত্রী এবং ২০ লাখ টন কার্গো বা পণ্য পরিবহন করছে। নতুন টার্মিনালটি চালু হলে এই সক্ষমতা কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

টার্কিশ এয়ারলাইন্স তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে লিখেছে, “তুরস্ক বড় হচ্ছে, টার্কিশ এয়ারলাইন্স উড়ছে। তুরস্কের পতাকাবাহী ব্র্যান্ড হিসেবে এই অর্জন আমাদের গর্বিত করে।”

যদিও প্রকল্পের নির্দিষ্ট স্থান উল্লেখ করা হয়নি, তবে তুরস্কের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং প্রধান আন্তর্জাতিক বিমান হাব ইস্তাম্বুলেই এটি নির্মিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।