শনিবার ১৮ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

শতভাগ অনলাইনে কাস্টমস বন্ড সেবা: এনবিআরের যুগান্তকারী পদক্ষেপ

শতভাগ অনলাইনে কাস্টমস বন্ড সেবা: এনবিআরের যুগান্তকারী পদক্ষেপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল দেশের কাস্টমস ব্যবস্থাপনা। এখন থেকে ‘ইউটিলাইজেশন পারমিশন’ বা ইউপি সংক্রান্ত সকল সেবা শতভাগ অনলাইনে প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক পরিপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, আজ থেকেই ম্যানুয়ালি ইউপি আবেদন গ্রহণ ও অনুমোদনের পুরনো প্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল।

কী এই পরিবর্তন? এখন থেকে বন্ডেড ওয়্যারহাউজ লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব ধরনের ইউপি আবেদন ও অনুমোদনের জন্য সিবিএমএস (Customs Bond Management System) সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এনবিআরের অধীন তিনটি কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ব্যবসায়ীদের জন্য যেসব সুবিধা থাকছে: পেপারলেস সার্ভিস: কোনো কাগজ জমা দিতে বা সশরীরে কাস্টমস অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

দ্রুত অনুমোদন: আবেদন থেকে শুরু করে যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন—সবই হবে স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটেড।

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা: ব্যক্তিনির্ভরতা কমায় দুর্নীতি বা দীর্ঘসূত্রতার সুযোগ থাকবে না।

ব্যয় সাশ্রয়: যাতায়াত এবং ফাইল প্রসেসিংয়ের খরচ অনেকাংশে কমে আসবে।

এনবিআরের প্রত্যাশা এনবিআর জানিয়েছে, এই নতুন সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে বন্ড ব্যবস্থাপনায় নজরদারি আরও বাড়বে এবং তথ্য সংরক্ষণ সহজ হবে। এতে করে বন্ড সংক্রান্ত আইনি জটিলতা ও মামলা কমবে। মূলত রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাজ সহজ করতেই এই পদক্ষেপ, যা দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থার পরিবেশ তৈরি করবে।