মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

দেশের নতুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী: ২৮ ডিসেম্বর শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা : বাংলাদেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ পদে পরিবর্তন আসছে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) আইন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির আদেশ ও নিয়োগের কার্যকারিতা আইন সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ প্রদান করেছেন।

বর্তমান প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যাচ্ছেন। এরপরই ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নিয়োগ কার্যকর হবে।

পেশাগত ও পারিবারিক পরিচয় বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দেশের এক সম্ভ্রান্ত বিচারক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক নিচে দেওয়া হলো:

জন্ম ও পরিবার: ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ছিলেন।

শিক্ষাজীবন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর উচ্চতর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

আইনপেশা: ১৯৮৫ সালে তিনি জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।

বিচারিক পথচলা:২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এরপর ২০০৫ সালে তিনি স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। সবশেষ ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।

আগামী দিনের প্রত্যাশা বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে তাঁর এই নিয়োগকে আইন অঙ্গনের অভিজ্ঞ মহল ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। দেশের বিচারিক স্বাধীনতা রক্ষা এবং বিচারাধীন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।—আমি কি আপনাকে বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা অথবা নতুন প্রধান বিচারপতির পূর্ববর্তী কোনো ঐতিহাসিক রায় সম্পর্কে আরও তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারি?