মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
এলডিসি–পরবর্তী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাকশিল্পে এআই ও প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ নিরাপদ ও ভোগান্তিহীন লেনদেন নিশ্চিতে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক: গভর্নর ভুয়া ওয়েবসাইট ও সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে ঋণ জালিয়াতি, এডিবি’র সতর্কবার্তা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ঢাকায় সাফা আঞ্চলিক কুইজ, পাবলিক স্পিকিং ও প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪%

সূদের হার কমানো ও রপ্তানি সহায়তা তহবিল বৃদ্ধির তাগিদ: গভর্নরের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠক

ঢাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুরের সঙ্গে বৈঠক করেছে ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সহ বিভিন্ন বাণিজ্য সংস্থার একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এলডিসি-উত্তর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার প্রস্তাব বৈঠকে প্রধানত ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের পর ব্যবসা-বাণিজ্যে যে নতুন চ্যালেঞ্জগুলো আসবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়।

ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বেসরকারি খাতের পক্ষ থেকে গভর্নরের কাছে বেশ কিছু প্রস্তাব/সুপারিশ তুলে ধরেন। এসব প্রস্তাবের লক্ষ্য ছিল জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য পুনরুদ্ধার, অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সুদৃঢ় এবং গতিশীল করা।

প্রতিনিধিদল জোর দিয়ে বলেন, এলডিসি উত্তরণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতার ক্ষেত্রে নতুন চাপ সৃষ্টি করবে, যা মোকাবিলায় নীতি সহায়তা জরুরি।

ব্যবসায়ীদের মূল দাবি ও সুপারিশসমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে পেশ করা সুপারিশগুলোর মধ্যে ছিল: সুদের হার কমানো, সামগ্রিক সুদের হার কমিয়ে একটি সহনশীল পর্যায়ে নিয়ে আসা। রপ্তানি সহায়তা বৃদ্ধি:রপ্তানি উন্নয়ন ফান্ডের (EDF) আকার বাড়ানো এবং এর সুদের হার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া। নীতি সহায়তার মেয়াদ বৃদ্ধি: ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা পুনর্গঠনের লক্ষ্যে গঠিত নীতি সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির কার্যকাল বর্ধিত করা। ‘পয়েন্ট অব কন্টাক্ট’ স্থাপন: রপ্তানিমুখী শিল্পের ব্যাংকিং সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিশেষ ‘পয়েন্ট অব কন্টাক্ট’ বা নিবেদিত যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপন করা।

এসএমই সুবিধা: এসএমই -দের (ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প) জন্য বন্ড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার সুবিধা প্রদান করা, যাতে ছোট উদ্যোক্তাদের বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ হয়।

গভর্নরের আশ্বাস ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি মনোযোগ সহকারে শোনেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। তিনি অবিলম্বে কিছু পদক্ষেপ এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন, যা বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করবে।

এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মোঃ আলমগীর সহ প্রতিনিধি দলে ছিলেন এফবিসিসিআই’র সাবেক সহ-সভাপতি আবুল কাশেম হায়দার ও নিজাম উদ্দিন রাজেশ, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এস এম ফজলুল হক, বর্তমান বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (খোকন), আব্দুল ওয়াহেদ, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন (নয়ন), এবং বাংলাদেশ সুপার মার্কেটস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।