বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
আইএমএফের কাছে নতুন করে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মে মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.০৯ শতাংশ, ১১ মাসের সম্মিলিত আয় নেমেছে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে<gwmw style="display:none;"></gwmw> নতুন চেয়ারম্যানকে ঘিরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ ৩য় দিনে, প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুমকি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিতে প্রতি তিন টাকার এক টাকা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই জনকল্যাণমুখী বাজেট তৈরির চেষ্টা: আমীর খসরু<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> স্মার্ট কার্ডধারী ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিঋণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি এস আলমের সম্পদ বিক্রি করে ইসলামী ব্যাংকের লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের দাবি গ্রাহকদের ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে নজিরবিহীন সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক মে মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৫.৩৪ শতাংশের বিশাল প্রবৃদ্ধি; চলতি অর্থবছরে এসেছে ৩২.৭৫ বিলিয়ন ডলার

ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাত: এস আলম ও নাবিল গ্রুপের মালিকসহ ৪৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ঢাকা: ইসলামী ব্যাংক থেকে ৩৬৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এস আলম গ্রুপ ও নাবিল গ্রুপের দুই কর্ণধারসহ মোট ৪৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ এই মামলা দায়ের করা হয়।

দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান ‘নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল’-এর নামে ইসলামী ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং জালিয়াতি ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ৬৭০ কোটি টাকার ঋণ প্রস্তাব অনুমোদন ও সুপারিশ করেন।

মঞ্জুরকৃত এই ঋণের মধ্যে ৩৬৩ কোটি টাকা বিতরণ দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দুদকের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ:

মামলার আসামিদের তালিকায় রয়েছেন এস আলম গ্রুপের মালিক মো. সাইফুল আলম, নাবিল গ্রুপের মালিক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, সোনালী ট্রেডার্সের পরিচালক শহিদুল আলম, সেঞ্চুরি ফ্লাওয়ার মিলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, নাবা এগ্রো ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন অর রশিদ সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।

এছাড়াও, ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান, অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ কায়সার আলী, সাবেক ডিএমডি মিফতাহ উদ্দিন, এবং আরও বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন ও নিম্নপদস্থ কর্মকর্তাসহ মোট ৪৩ জনকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার মাধ্যমে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী এবং ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সামনে এসেছে।