শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ রোধে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনীর অবিলম্বে বাস্তবায়ন জরুরি: সাবেক গভর্নর করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৩.৭৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব, বছরজুড়ে দেওয়া যাবে রিটার্ন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট: উন্নয়ন ধারা সচল, সংস্কার ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক, আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা বেড়ে ৪ লাখ টাকা স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব বাজেট ২০২৬-২৭: সংস্কার প্রস্তাবকে ফিকির স্বাগত, তবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয় রোগীদের স্বার্থে হাসপাতাল খোলা রাখার সুযোগ চায় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ আগামীকাল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার মেগা বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবিবির; এসএমই খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন প্যাকেজ

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় ৪৯তম স্থানে নেমে গেলেন আজিজ খান

ঢাকা: সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন ব্যবসায়ী মুহাম্মদ আজিজ খান। তবে তার অবস্থান কিছুটা নিচে নেমেছে।

তিনি সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান।তার বেশিরভাগ ব্যবসা বাংলাদেশের ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে, যার প্রধান ক্রেতা এ দেশের সরকার। উচ্চ মুনাফা অর্জন করে তিনি ক্রমাগত তার ব্যবসার পরিধি বাড়িয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি তার সম্পদ সিঙ্গাপুর স্টক মার্কেটে তালিকাভুক্ত করেন এবং সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে বেশ কয়েক বছর ধরে এই ধনীর তালিকায় স্থান পেয়ে আসছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত তালিকায় মুহাম্মদ আজিজ খানের অবস্থান ৪৯তম। হিসাব অনুযায়ী, তার সম্পদের পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত দুই বছরের তুলনায় তার সম্পদ কিছুটা কমেছে।মুহাম্মদ আজিজ খান বেশ কয়েক বছর ধরে সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় অবস্থান করছেন।

২০২৩ সালের তালিকায় তার অবস্থান ছিল ৪১তম এবং ২০২২ সালে তিনি ৪২তম স্থানে ছিলেন।সিঙ্গাপুরের তালিকায় তার অবস্থান ৪৯তম হলেও, বিশ্বের শতকোটিপতিদের তালিকায় তার স্থান ২৭৯০তম।তার সম্পদের মূল উৎস বিদ্যুৎ খাতের ব্যবসা। জানা গেছে, ২০১৯ সালে মুহাম্মদ আজিজ খান জাপানি প্রতিষ্ঠান জেরার কাছে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করে দেন।বাংলাদেশের নাগরিক ৭০ বছর বয়সী মুহাম্মদ আজিজ খান এক দশকের বেশি সময় ধরে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা।

সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ, বন্দর, ফাইবার অপটিকস ও আবাসন খাতে ব্যবসা রয়েছে এবং তাদের সব সম্পদ বাংলাদেশেই অবস্থিত।সামিট গ্রুপের বিদ্যুৎ খাতের ব্যবসা পরিচালনা করে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল, যা সিঙ্গাপুরে নিবন্ধিত একটি হোল্ডিং কোম্পানি। তার পরিচিতিতে বলা হয়েছে, তিনি তিন সন্তানের জনক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন।