রবিবার ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী<gwmw style="display:none;"></gwmw> সোনালি ধানে মানবিকতার ছোঁয়া: কৃষক ও শহরের মানুষের এক অনন্য মেলবন্ধন ব্যাংক রেজুলেশন আইন ২০২৬: নতুন করে লুটের আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞ ও সুশীল সমাজ<gwmw style="display:none;"></gwmw> ইউনেসকাপে বাংলাদেশের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক ‘বায়োইকোনমি’ প্রস্তাব গৃহীত টাকা ছাপিয়ে ঋণ নিচ্ছে সরকার: বাড়ছে মূল্যস্ফীতি ও জনভোগান্তির শঙ্কা শিল্প দুর্ঘটনার স্মৃতি থেকে শিক্ষা নিয়ে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান: শিল্পকলায় আলোকচিত্র প্রদর্শনী শুরু ভুল সিলেবাসে পরীক্ষা: চরম অনিশ্চয়তায় ১ লাখ ৩৫ হাজার এসএসএসি পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কিনছে সরকার<gwmw style="display:none;"></gwmw> শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ে ভয়াবহ সাইবার হামলা, ২৫ লাখ ডলার চুরি

কক্সবাজার সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার : কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে থাকা সব ধরনের অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো কক্সবাজার সফরে এসে আজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের সার্বিক শৃঙ্খলা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে। সৈকতে থাকা সব ধরনের অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণ করা হবে। জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে এবং নবগঠিত বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, এ কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল সার্বিক সহযোগিতা করবেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজের জন্মস্থান কক্সবাজার সফরে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত দেশের গর্ব এবং বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত হিসেবে এটিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে। এজন্য সৈকত এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং পর্যটকদের জন্য কোনো ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি করে এমন কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে কক্সবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। পুলিশ প্রশাসনের নেতৃত্বে এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত জনবল দেওয়া হবে এবং শহরে ব্যাটারিচালিত টমটম ও অন্যান্য অযান্ত্রিক যানবাহনের সংখ্যা আর বাড়তে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও কঠোরতা আরোপ করা হবে। নির্ধারিত সংখ্যার বেশি যানবাহন চলতে দেওয়া হবে না এবং একটি লাইসেন্সের অধীনে একাধিক যানবাহন পরিচালনা করলে সেই লাইসেন্স বাতিল করা হবে। ধীরে ধীরে অচল হয়ে যাওয়া যানবাহনের সংখ্যা নতুন করে পূরণ না করে কমিয়ে আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যাতে সাধারণ ও নিম্নআয়ের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়েও সরকার সতর্ক থাকবে। সভায় গৃহীত অন্যান্য সিদ্ধান্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতায় কক্সবাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নসহ সার্বিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।