বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মহাযুদ্ধের দামামা, বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস জ্বালানি সংকটের শঙ্কা: আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমানোর নির্দেশ সরকারের সাদিক আহমেদের পদত্যাগ: নীতি সুদহার কমানোর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান; ৪,১৭০ জনের কর্মসংস্থান<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ইরানে হামলায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার: যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw> রপ্তানি সংকটের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বেতন দিতে বিশেষ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: গভর্নর রপ্তানি খাতে ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়: সরকারকে বিজিএমইএ’র ধন্যবাদ ডিসেম্বরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা

২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আকু বিল পরিশোধে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ঢাকা, ৩ জুলাই – মে ও জুন মাসের আমদানি বিল বাবদ প্রায় ২.০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-কে পরিশোধ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দ্বি-মাসিক আকু বিল পরিশোধের ঘটনা।

আগামী ৮ জুলাই এই বিপুল পরিমাণ বিল পরিশোধ করা হবে। এই অর্থ পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১.৬৮ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান ইউএনবিকে জানিয়েছেন যে, আগামী ৮ জুলাইয়ের মধ্যে আকুর বিল পরিশোধ হওয়ার কথা রয়েছে।তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, নিট রিজার্ভ আকু এবং অন্যান্য বিল পরিশোধের পরেই হিসাব করা হয়, তাই এ ধরনের পেমেন্ট নিট রিজার্ভের পরিমাণে কোনো পরিবর্তন আনে না।

তবে, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে, অথবা সরকার তার কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ বা ঋণ দেয়, তাহলে নিট রিজার্ভ প্রভাবিত হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক ইঙ্গিত দিয়েছে যে, আগামী সপ্তাহে আকু বিল পরিশোধের পর মোট রিজার্ভ ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। এই হিসাব প্রাথমিক এবং বিল পরিশোধ ও হিসাব সমন্বয়ের পর সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। তবে, দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ বা নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ (এনআইআর), যা বর্তমানে ২০.৬৯ বিলিয়ন ডলার রয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, জুলাই ২০২২ এর পর থেকে আকু বিল পরিশোধের পরিমাণ ওঠানামা করলেও, ২০২৩ সালে প্রতি দুই মাস অন্তর পরিশোধের পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে আবার পরিশোধের পরিমাণ বাড়তে থাকে, যা সর্বশেষ মে-জুন মাসে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ২.০২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।