শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমে ৫ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ইস্তাম্বুল : আমদানির তুলনায় রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক আয়ের ইতিবাচক ধারায় ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের চলতি হিসাবের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বুধবার ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস (বিইএ) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এই ঘাটতি আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২০.২ শতাংশ কমে ১৯০.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকের পর সর্বনিম্ন।

বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২১১ বিলিয়ন ডলার। তবে প্রকৃত তথ্য প্রত্যাশার চেয়েও অনেক ইতিবাচক ফল দেখিয়েছে। উল্লেখ্য, ওই বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে সংশোধিত ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৩৯.১ বিলিয়ন ডলার।

বিইএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় এই ঘাটতির হার ৩.১ শতাংশ থেকে কমে ২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক আয় (Primary Income) ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে রূপান্তরিত হওয়ার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

রপ্তানি ও আয়ের চিত্র: ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে পণ্য ও সেবা রপ্তানি এবং বিদেশ থেকে আসা আয়ের পরিমাণ ৩২.৪ বিলিয়ন ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৩ ট্রিলিয়ন ডলারে। এর বিপরীতে পণ্য আমদানি এবং বিদেশিদের পাওনা পরিশোধের পরিমাণ ১৬ বিলিয়ন ডলার কমে ১.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

বিনিয়োগ ও সম্পদ পরিস্থিতি: প্রতিবেদন অনুযায়ী, চতুর্থ প্রান্তিক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিট আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের অবস্থান ছিল নেতিবাচক ২৭.৫৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২.৯৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং দায়ের পরিমাণ ৭০.৪৯ ট্রিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, চলতি হিসাবের এই ঘাটতি কমে আসা মার্কিন অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে দেশটির সক্ষমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।