সোমবার ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইইউ-এর ‘ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট’ পরিপালনে বিজিএমইএ ও অ্যাওয়ার-এর ঐতিহাসিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনকে টপকে দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক এখন বাংলাদেশ টিকে থাকতে ভ্যাট হ্রাস ও গ্যাস সংযোগের দাবি রেস্তোরাঁ মালিকদের পোশাক খাতের সবুজ রূপান্তরে বিজিএমইএ ও জিআইজেড-এর ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় সৌরশক্তি ও এলএনজিতে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের ভাতা নয়, জীবনযাত্রার সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’: কল্যাণ রাষ্ট্রের পথে বাংলাদেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তার মেয়াদ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক পরিবহন খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় একীভূত নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি হিসাবের ঘাটতি কমে ৫ বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ইস্তাম্বুল : আমদানির তুলনায় রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক আয়ের ইতিবাচক ধারায় ২০২৫ সালের শেষ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের চলতি হিসাবের ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বুধবার ব্যুরো অব ইকোনমিক অ্যানালাইসিস (বিইএ) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, এই ঘাটতি আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২০.২ শতাংশ কমে ১৯০.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২১ সালের প্রথম প্রান্তিকের পর সর্বনিম্ন।

বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে এই ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ২১১ বিলিয়ন ডলার। তবে প্রকৃত তথ্য প্রত্যাশার চেয়েও অনেক ইতিবাচক ফল দেখিয়েছে। উল্লেখ্য, ওই বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে সংশোধিত ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২৩৯.১ বিলিয়ন ডলার।

বিইএ-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় এই ঘাটতির হার ৩.১ শতাংশ থেকে কমে ২.৪ শতাংশে নেমে এসেছে। সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মূলত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক আয় (Primary Income) ঘাটতি থেকে উদ্বৃত্তে রূপান্তরিত হওয়ার কারণেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

রপ্তানি ও আয়ের চিত্র: ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে পণ্য ও সেবা রপ্তানি এবং বিদেশ থেকে আসা আয়ের পরিমাণ ৩২.৪ বিলিয়ন ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৩৩ ট্রিলিয়ন ডলারে। এর বিপরীতে পণ্য আমদানি এবং বিদেশিদের পাওনা পরিশোধের পরিমাণ ১৬ বিলিয়ন ডলার কমে ১.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

বিনিয়োগ ও সম্পদ পরিস্থিতি: প্রতিবেদন অনুযায়ী, চতুর্থ প্রান্তিক শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিট আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের অবস্থান ছিল নেতিবাচক ২৭.৫৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪২.৯৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং দায়ের পরিমাণ ৭০.৪৯ ট্রিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, চলতি হিসাবের এই ঘাটতি কমে আসা মার্কিন অর্থনীতির স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে দেশটির সক্ষমতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।