সোমবার ২০ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
এলডিসি–পরবর্তী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাকশিল্পে এআই ও প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ নিরাপদ ও ভোগান্তিহীন লেনদেন নিশ্চিতে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক: গভর্নর ভুয়া ওয়েবসাইট ও সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে ঋণ জালিয়াতি, এডিবি’র সতর্কবার্তা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ঢাকায় সাফা আঞ্চলিক কুইজ, পাবলিক স্পিকিং ও প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪%

‘বাজেট ২০২৫-২৬ : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, জুন ২৪: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি’র উদ্যোগে ‘বাজেট ২০২৫-২৬ : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা আজ ২৪ জুন ২০২৫ মঙ্গলবার অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান এই আলোচনা সভার উদ্বোধন করেন। এতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এবং সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. তৈয়েবুর রহমান এবং বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)-এর মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেন্টার অন বাজেট এন্ড পলিসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. এম. আবু ইউসুফ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং রিসার্চ এন্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এ রাজ্জাক আলোচনায় অংশ নেন। উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারপার্সন ড. নাঈম সুলতানা স্বাগত বক্তব্য দেন।

উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেন, আমাদের সময় এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। পাশাপাশি দায়বদ্ধতার অভাব আর সঠিক পরিকল্পনার ঘাটতি আমাদের নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। বিদেশ থেকে যে ঋণ পাচ্ছি, তার বড় অংশ আগের ঋণ শোধ করতেই খরচ হয়ে যাচ্ছে। বছরের পর বছর বাংলাদেশ এ ধরনের পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষাখাতসহ অগ্রাধিকারের জায়গাগুলোতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা কমিশন হলেই যে শিক্ষাখাতের সকল সমস্যার সমাধান হবে, সেটা ভাবার কোন কারণ নেই। শিক্ষাখাতের সংস্কারে শুধুমা আলোচনা নয়, সময়সীমা নির্দিষ্ট করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাংলায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন ভাষায় লেখা বইগুলো অনুবাদ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এক্ষেত্রে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।  

উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, জাতীয় বাজেট আমাদের জীবনকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। জাতীয় বাজেটে এবছর শিক্ষাখাতে বেশকিছু ভালো উদ্যোগ আমরা দেখতে পেয়েছি। বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান খাতে এবছর কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এসব খাতে আরও গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। এই সংলাপ জাতীয় পর্যায়ে নীতিমালা প্রণয়নের ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভাপতির বক্তব্যে বলেন, সফল ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনখাতকে গুরুত্ব দিয়ে জাতীয় বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে।