বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মহাযুদ্ধের দামামা, বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস জ্বালানি সংকটের শঙ্কা: আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমানোর নির্দেশ সরকারের সাদিক আহমেদের পদত্যাগ: নীতি সুদহার কমানোর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান; ৪,১৭০ জনের কর্মসংস্থান<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ইরানে হামলায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার: যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw> রপ্তানি সংকটের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বেতন দিতে বিশেষ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: গভর্নর রপ্তানি খাতে ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়: সরকারকে বিজিএমইএ’র ধন্যবাদ ডিসেম্বরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা

নির্বাচনে অপরাজিত থাকার অনন্য রেকর্ড খালেদা জিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :  সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে কখনোই পরাজিত হননি।

বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, চট্টগ্রাম, ঢাকা ও খুলনায় ভোটের মাঠ বদলেছে, কিন্তু ফলাফল বদলায়নি। পাঁচ নির্বাচনে মোট ২৩টি আসন থেকে প্রার্থী হয়ে প্রতিটিতেই জিতেছেন। ব্যালট পেপারে তাঁর নাম মানেই যেন জয়ের নিশ্চয়তা।

বাংলাদেশের সংসদীয় ইতিহাসে তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী রেকর্ডের সঙ্গে কেউ পাল্লা দিতে পারেনি। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত পাঁচটি জাতীয় নির্বাচনে তিনি কখনো পরাজয়ের মুখ দেখেননি।

 ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাঁচটি করে আসনে প্রার্থী হয়ে জয় পান। ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সবগুলোতেই বিজয়ী হন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনটি আসনে প্রার্থী করা হয় বেগম খালেদা জিয়াকে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল যে তিনি সেরে উঠবেন। কেবল সেই আস্থা থেকেই তাকে প্রার্থী করা হয়। এমনকি লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থাতেও বিএনপির সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী ছিলেন খালেদা জিয়া।

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক জাগরণের সঙ্গে তাল মিলিয়েই তাঁর রাজনৈতিক উত্থান। ১৯৮১ সালে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট পরিস্থিতি খালেদা জিয়াকে দৃশ্যপটের বাইরে থেকে একবারে রাজনীতির ‘হাইওয়ে’তে নিয়ে আসে। এর আগে নিতান্তই একজন গৃহবধূ ছিলেন খালেদা জিয়া।

১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৭, ঢাকা ৫, ঢাকা ৯, ফেনী ১ ও চট্টগ্রাম ৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পাঁচটিতেই জয় শেষে তিনি ফেনী ১ আসনটি রেখে বাকি চারটি আসন ছেড়ে দেন।

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৬, বগুড়া ৭, ফেনী ১, লক্ষ্মীপুর ২ এবং চট্টগ্রাম ১ আসনে লড়েন। পাঁচটি আসনের প্রত্যেকটিতে বিজয়ের পর তিনি ফেনী ১ আসনটি নিজের জন্য রেখে বাকীগুলো ছেড়ে দেন।

২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৬, বগুড়া ৭, ফেনী ১, লক্ষ্মীপুর ২ এবং চট্টগ্রাম ১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এবারও পাঁচটি আসনের সবগুলোতে বিজয়ী হয়ে শেষ পর্যন্ত বগুড়া ৬ আসনটির প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নেন।

সবশেষ, ২০০৮ সালের নির্বাচনে তিনি বগুড়া ৬, বগুড়া ৭ এবং ফেনী ১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনটিতেই জয় পেয়ে তিনি ফেনী ১ আসনটি নিজের জন্য রাখেন।

তাঁর নির্বাচনী ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও চট্টগ্রামের আসনগুলোতেই তিনি সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ১৯৯১ সালে তিনি ঢাকার একটি আসন থেকে এবং ২০০১ সালে খুলনার একটি আসন থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, কেবল বিজয়ী হওয়া নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে তাঁর ভোটের ব্যবধানও ছিল উল্লেখযোগ্য।