সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিতে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু ১৭ অক্টোবর নতুন সংসদ সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইউএনডিপি আজারবাইজানে সিইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

ইউরোপীয় ইউনিয়নে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৭.৯ শতাংশ বেড়েছে, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলেছে

ঢাকা, ২০ আগস্ট : চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে বাংলাদেশ ১৭.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।2

এই উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও, রপ্তানির এই হার ইইউর মোট আমদানি বৃদ্ধির চেয়ে বেশি হলেও চীন ও কম্বোডিয়ার মতো প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত ইউরোস্ট্যাটের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ ইইউর বাজারে ১০.২৯ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ৮.৭৩ বিলিয়ন ইউরোর তুলনায় ১৭.৯ শতাংশ বেশি। সামগ্রিকভাবে, ইইউর পোশাক আমদানি ১২.৩ শতাংশ বেড়ে ৪৩.৩৯ বিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের ৩৮.৬৪ বিলিয়ন ইউরোর চেয়ে বেশি।

এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি ইইউ বাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করেছে। তবে, বাংলাদেশ তার প্রধান এশীয় প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও কম্বোডিয়ার কাছ থেকে কঠিন প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছে। চীন তার সর্বোচ্চ রপ্তানিকারকের অবস্থান ধরে রেখেছে, তাদের রপ্তানি ২২.৩ শতাংশ বেড়ে ১১.২৬ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, কম্বোডিয়া সবচেয়ে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, তাদের রপ্তানি ৩০.৪ শতাংশ বেড়ে ২.০৭ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

চীন ও কম্বোডিয়ার চেয়ে প্রবৃদ্ধির হারে পিছিয়ে থাকলেও, বাংলাদেশ তার প্রধান আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে। এই সময়ে ভারতের রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ২.৭০ বিলিয়ন ইউরো, যা গত বছরের ২.৩৪ বিলিয়ন ইউরোর তুলনায় ১৫.৪ শতাংশ বেশি। পাকিস্তানের রপ্তানি ১৬.৬ শতাংশ বেড়ে ১.৫৯ বিলিয়ন ইউরো থেকে ১.৮৬ বিলিয়ন ইউরোতে উন্নীত হয়েছে। ভিয়েতনামও তার প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে, তাদের রপ্তানি ১৭.৩ শতাংশ বেড়ে ১.৭৩ বিলিয়ন ইউরো থেকে ২.০২ বিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।3

এর বিপরীতে, তুরস্ক নেতিবাচক প্রবণতা দেখিয়েছে। ইইউ বাজারে তাদের পণ্যের চাহিদা কমার প্রতিফলন হিসেবে তুরস্কের রপ্তানি ৭ শতাংশ কমে ৪.২৭ বিলিয়ন ইউরোতে দাঁড়িয়েছে।

সামগ্রিকভাবে তুলনা করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের ১৭.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ইইউর গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি এবং ভারত, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের চেয়ে শক্তিশালী। তবে, প্রবৃদ্ধির দিক থেকে চীন ও কম্বোডিয়ার পেছনে থাকাটা ইইউ বাজারে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।