বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাত: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মহাযুদ্ধের দামামা, বিশ্ব অর্থনীতিতে ধস জ্বালানি সংকটের শঙ্কা: আলোকসজ্জা পরিহার ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার কমানোর নির্দেশ সরকারের সাদিক আহমেদের পদত্যাগ: নীতি সুদহার কমানোর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২২ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনা প্রতিষ্ঠান; ৪,১৭০ জনের কর্মসংস্থান<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ইরানে হামলায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার: যুদ্ধক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw> রপ্তানি সংকটের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বেতন দিতে বিশেষ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের একীভূতকরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: গভর্নর রপ্তানি খাতে ২৫০০ কোটি টাকা ছাড়: সরকারকে বিজিএমইএ’র ধন্যবাদ ডিসেম্বরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৮ জাপানি সেনার দেহাবশেষ চট্টগ্রাম থেকে উত্তোলন ও প্রত্যাবাসন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চট্টগ্রামের ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ১৮ জন জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ উত্তোলন (Exhumation) ও স্বদেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

জাপান সরকারের মনোনীত ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গত ১৭ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে অবস্থান করে এই উত্তোলনের কাজ করে। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম এরিয়া কর্তৃপক্ষ পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে।

সোমবার সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তোলন কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি নেতৃত্বে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খনন বিশেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.), বীর প্রতীক

দেহাবশেষ উত্তোলনের কাজ শেষ হওয়ার পর গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট সম্পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় (Full Military Honour) গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষগুলো জাপানে প্রত্যাবাসন করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালে জাপান সরকারের অনুরোধে কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৩ জন জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ একইভাবে উত্তোলন ও প্রত্যাবাসন করা হয়েছিল।