সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিতে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু ১৭ অক্টোবর নতুন সংসদ সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইউএনডিপি আজারবাইজানে সিইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

গত অর্থবছরে পোশাক এক্সেসরিজ খাতে রেকর্ড ৭.৪৫ বিলিয়ন ডলার আয়: বিজিএপিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ) জানিয়েছে, বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের পোশাক এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং খাত থেকে রেকর্ড ৭.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার অর্জিত হয়েছে সরাসরি রফতানির মাধ্যমে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চার দিনব্যাপী ‘১৫তম গ্যাপেক্সপো (GAPEXPO)-২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানানো হয়। আগামী ১৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী।

পন্যের গুরুত্ব ও কর্মসংস্থান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এক্সেসরিজ ও প্যাকেজিং খাত এখন দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পের মূল ভিত্তি বা ‘ব্যাকবোন’ হিসেবে কাজ করছে। খাতের বর্তমান চিত্র:

কর্মসংস্থান: বর্তমানে ৭ লাখেরও বেশি মানুষের জীবিকা এই খাতের ওপর নির্ভরশীল।

সদস্য সংখ্যা: বিজিএপিএমইএ-র অধীনে বর্তমানে ২,০০০-এর বেশি সদস্য কারখানা রয়েছে।

আমদানি বিকল্প: এক সময় এই এক্সেসরিজের জন্য বিদেশের ওপর নির্ভর করতে হতো, যা ছিল ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ। বর্তমানে স্থানীয় শিল্পই রফতানি খাতের অভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় সম্পূর্ণ অংশ মেটাতে সক্ষম, যা দেশের পোশাক শিল্পের সক্ষমতা বাড়িয়েছে।

‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে স্বীকৃতি অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সরকারের নীতিগত সহায়তার অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের জন্য ‘পেপার প্যাকেজিং পণ্য’-কে ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিজিএপিএমইএ এই সিদ্ধান্তকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছে। সংগঠনটি মনে করে, এই স্বীকৃতির ফলে খাতটিতে নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আসবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি রফতানি আয়ও বহুগুণ বাড়বে।

বিশিষ্টজনদের উপস্থিতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান, বিজিএমইএ-র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সেলিম রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকারসহ শিল্প খাতের শীর্ষ নেতারা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সঠিক নীতিগত সহায়তা ও প্রণোদনা পেলে এই খাতের রফতানি সম্ভাবনা আরও বিশাল। তারা বিশেষ করে পেপার প্যাকেজিং খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের বিশেষ নজরদারি ও সহজতর নীতিমালার ওপর জোর দেন।