বুধবার ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ:
গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সরকার সব ব্যবস্থা নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা মহান বিজয় দিবস আজ নির্বাচনকালীন সহিংসতা প্রতিরোধে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বিজয় দিবসে বিশ্ব রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ অর্ধেকের বেশি খেলাপি ঋণ ১৭ ব্যাংকে, বছর ঘুরতেই দ্বিগুণ হলো খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ এবার বাজারে আনছে টয়োটা হায়েস, নতুন পার্টনারশিপের উদ্বোধন চট্টগ্রামে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি সন্তোষজনক: ড. সালেহউদ্দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী হল নির্মাণ কাজ শিগগিরই শুরু হচ্ছে

২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আকু বিল পরিশোধে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ

ঢাকা, ৩ জুলাই – মে ও জুন মাসের আমদানি বিল বাবদ প্রায় ২.০২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু)-কে পরিশোধ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ দ্বি-মাসিক আকু বিল পরিশোধের ঘটনা।

আগামী ৮ জুলাই এই বিপুল পরিমাণ বিল পরিশোধ করা হবে। এই অর্থ পরিশোধের পর দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১.৬৮ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে ২৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে আসবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান ইউএনবিকে জানিয়েছেন যে, আগামী ৮ জুলাইয়ের মধ্যে আকুর বিল পরিশোধ হওয়ার কথা রয়েছে।তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, নিট রিজার্ভ আকু এবং অন্যান্য বিল পরিশোধের পরেই হিসাব করা হয়, তাই এ ধরনের পেমেন্ট নিট রিজার্ভের পরিমাণে কোনো পরিবর্তন আনে না।

তবে, যদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করে, অথবা সরকার তার কোনো প্রকল্পে বিনিয়োগ বা ঋণ দেয়, তাহলে নিট রিজার্ভ প্রভাবিত হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক ইঙ্গিত দিয়েছে যে, আগামী সপ্তাহে আকু বিল পরিশোধের পর মোট রিজার্ভ ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসতে পারে। এই হিসাব প্রাথমিক এবং বিল পরিশোধ ও হিসাব সমন্বয়ের পর সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে। তবে, দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ বা নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ (এনআইআর), যা বর্তমানে ২০.৬৯ বিলিয়ন ডলার রয়েছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, জুলাই ২০২২ এর পর থেকে আকু বিল পরিশোধের পরিমাণ ওঠানামা করলেও, ২০২৩ সালে প্রতি দুই মাস অন্তর পরিশোধের পরিমাণ ১.৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে ছিল। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে আবার পরিশোধের পরিমাণ বাড়তে থাকে, যা সর্বশেষ মে-জুন মাসে তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ২.০২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।