বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকা ইপিজেডে দুটি আধুনিক ওয়েব্রিজ উদ্বোধন করলেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে

হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডের ৫ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভার কাজ শুরু: উৎপাদন বাড়বে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট

হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডের ৫ নম্বর কূপে ওয়ার্কওভার কাজ শুরু: উৎপাদন বাড়বে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট

ঢাকা: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডের ৫ নম্বর কূপে (Well No. 5) ওয়ার্কওভার কাজ শুরু হয়েছে।

এই সফল ওয়ার্কওভার শেষ হলে কূপটি থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট (MMCFD) গ্যাস অতিরিক্ত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

গত শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে পেট্রোবাংলার পরিচালক (প্রশাসন) এস. এম. মাহবুব আলম কূপটির ওয়ার্কওভার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য বিজিএফসিএল আজ সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কূপটির ওয়ার্কওভার কার্যক্রম আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি ‘তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ ও মেঘনা গ্যাস ফিল্ডের ৭টি কূপ ওয়ার্কওভার’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতাভুক্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, পেট্রোবাংলার মহাব্যবস্থাপক (আরডিএম), বিজিএফসিএল এবং বাপেক্স-এর বিভিন্ন বিভাগের মহাব্যবস্থাপকরা উপস্থিত ছিলেন।বর্তমানে ১০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

উল্লেখ্য, হবিগঞ্জ গ্যাস ফিল্ডের বর্তমানে উৎপাদনে থাকা ৭টি কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।৫ নম্বর কূপটি ১৯৮৮ সালে ৩ হাজার ৫২১ মিটার গভীরতায় খনন করা হয়েছিল এবং ১৯৯২ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে এটি জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করে। এই ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে পুরনো কূপটির উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।