বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw> দেশের মানুষ দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি মুক্ত সূশাসন দেখতে চায়: মুফতি আমির হামযা বিদেশি বিনিয়োগের মুনাফা ও মূলধন ফেরতে কড়াকড়ি শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনিয়ম রোধে ৪ বেসরকারি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আহ্বান চীনের বিশেষ দূতের কক্সবাজার সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঋণ নয় মালিকানানির্ভর শিল্পায়ন চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর লিসা কুককে অপসারণের উদ্যোগ ট্রাম্পের

তবে, কুক বলেছেন যে প্রেসিডেন্টের তাকে অপসারণের কোনো ক্ষমতা নেই এবং তিনি পদত্যাগ করবেন না

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফেডারেল রিজার্ভের বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য লিসা কুককে তার পদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন। ট্রাম্পের অভিযোগ, বন্ধকী ঋণের নথিতে ভুয়া তথ্য দেওয়ার সঙ্গে কুক জড়িত ছিলেন।

তবে, কুক বলেছেন যে প্রেসিডেন্টের তাকে অপসারণের কোনো ক্ষমতা নেই এবং তিনি পদত্যাগ করবেন না।

বিবিসি জানিয়েছে, সোমবার রাতে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প কুককে লেখা একটি চিঠি প্রকাশ করেন।

চিঠিতে তিনি জানান, কুকের বিরুদ্ধে বন্ধকী ঋণের নথিতে জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতা ব্যবহার করে ট্রাম্প তাকে অবিলম্বে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে নজিরবিহীন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১১২ বছরের ইতিহাসে ফেড বোর্ডের কোনো সদস্যকে এভাবে পদচ্যুত করা হয়নি। ফেডের সাত সদস্যের মধ্যে কুক ছিলেন প্রথম আফ্রিকান-আমেরিকান নারী, যিনি এই পদে আসীন হন।

আইনি জটিলতা ও ট্রাম্পের অভিযোগ:বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই পদক্ষেপ আইনি প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে। হোয়াইট হাউসকে আদালতে প্রমাণ করতে হতে পারে যে, অপসারণের যথেষ্ট কারণ ছিল। কুক নিজেও বলেছেন, প্রেসিডেন্ট তাকে বরখাস্ত করার আইনগত ক্ষমতা রাখেন না।

ট্রাম্পের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কুক মিশিগানে একটি বাড়িকে তার প্রধান আবাস হিসেবে দেখিয়ে নথিতে স্বাক্ষর করেন। মাত্র দুই সপ্তাহ পর জর্জিয়ার আরেকটি সম্পত্তির জন্য তিনি একই ঘোষণা দিয়ে নথি জমা দেন।

ট্রাম্পের দাবি, “প্রথম প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর দ্বিতীয় নথিতে স্বাক্ষরের সময় আপনি তা জানতেন না, এটা বিশ্বাস করা কঠিন।”এই অভিযোগটি প্রথমে তোলেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং হাউজিং ফাইন্যান্স নিয়ন্ত্রক বিল পুলটে। তিনি এই ঘটনাকে ‘অপরাধমূলক’ আখ্যা দিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডিকে একটি চিঠি পাঠান এবং বিচার বিভাগকে তদন্তের আহ্বান জানান।

তবে এ বিষয়ে কোনো তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প বারবার ফেডের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন। তিনি ফেডের প্রধান জেরোম পাওয়েলকে বরখাস্ত করার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন, কারণ পাওয়েল সুদের হার কমাতে অনীহা দেখাচ্ছিলেন। ট্রাম্পের এই নতুন পদক্ষেপ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে তার চলমান দ্বন্দ্বকে আরও তীব্র করেছে।