মঙ্গলবার ৩ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
ডিসেম্বরে শ্রেণিকৃত ঋণ কমেছে ৮৭ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা মার্কিন পেন্টাগনের দুশ্চিন্তার মূল কারণগুলো<gwmw style="display: none; background-color: transparent;"></gwmw> বিশ্লেষণ: ইরানে দীর্ঘমেয়াদী হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের, কিন্তু ফুরিয়ে আসছে কি গোলাবারুদের মজুদ? জুলাই-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে রপ্তানি আয় ৩১.৯১ বিলিয়ন ডলার; কমেছে ৩.৯৭ শতাংশ সোনালী ব্যাংক, আইডিআরএ এবং সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানদের পদত্যাগ বাজার স্থিতিশীল রাখতে ব্যাংক থেকে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক মার্চ মাসে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম<gwmw style="display:none;"></gwmw> যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা: বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বড় সংকটের আশঙ্কা ভিসা কর্মীদের বিমা সুবিধা দেবে মেটলাইফ বাংলাদেশ

বাংলাদেশে সোনার দামের উঠানামা: ২০২৪ সালের বিশ্লেষণ

ঢাকায় একটি সোনার দোকান

২০২৪ সালে বাংলাদেশের সোনার বাজার অত্যন্ত অস্থির ছিল। বছরটিতে মোট ৬২ বার সোনার দাম পরিবর্তন হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। বছরের শুরুতে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ছিল ১ লক্ষ ১২ হাজার ৪৪১ টাকা এবং শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ২৮৮ টাকা।

দামের উঠানামা: বছরের মধ্যে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫২৬ টাকা এবং সর্বনিম্ন ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার ৬৯১ টাকা।

দাম বৃদ্ধির কারণ: সোনার দামের এই উঠানামার প্রধান কারণ হিসেবে বিশ্ববাজারে সোনার দামের পরিবর্তন, মুদ্রাস্ফীতি এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যহীনতা উল্লেখ করা যেতে পারে।

বাজুসের ভূমিকা: বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিয়মিতভাবে সোনার দাম নির্ধারণ করেছে এবং বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী দাম পরিবর্তন করেছে।

দাম বৃদ্ধির প্রভাব: সোনার দামের এই উঠানামা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলেছে এবং সোনার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

২০২৪ সাল সোনার বাজারের জন্য অত্যন্ত চঞ্চল এক বছর ছিল। সোনার দামের এই উঠানামা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। তাই সোনা কেনার আগে বাজারের পরিস্থিতি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।