সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই এলো ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করল বাংলাদেশ ব্যাংক পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ নিতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স; ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw>

কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :  দেশের রপ্তানি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারল্য সংকটে থাকা ব্যবসায়ীদের খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিতে এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, রপ্তানিকারকরা এখন ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই পুনঃতফসিলীকরণের আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রেক্ষাপট ও সময়সীমা

এর আগে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক বকেয়া ঋণের ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন জমা দিয়ে আবেদনের সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে বিশ্ববাজার ও অভ্যন্তরীণ বাজারের বিভিন্ন জটিলতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হন। কাঁচা পাট খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নীতিমালার মূল বিষয়সমূহ:

  • আবেদনের যোগ্যতা: গ্রাহক তার মোট খেলাপি (শ্রেণীকৃত) ঋণের স্থিতির ২ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • কার্যকারিতা: সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং “জনস্বার্থে” এই হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে যেসব ব্যবসায়ী সময়মতো আবেদন করতে পারেননি, তারা এখন ঋণ নিয়মিত করার মাধ্যমে পুনরায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাবেন।