শুক্রবার ১৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :  দেশের রপ্তানি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারল্য সংকটে থাকা ব্যবসায়ীদের খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিতে এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, রপ্তানিকারকরা এখন ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই পুনঃতফসিলীকরণের আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রেক্ষাপট ও সময়সীমা

এর আগে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক বকেয়া ঋণের ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন জমা দিয়ে আবেদনের সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে বিশ্ববাজার ও অভ্যন্তরীণ বাজারের বিভিন্ন জটিলতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হন। কাঁচা পাট খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নীতিমালার মূল বিষয়সমূহ:

  • আবেদনের যোগ্যতা: গ্রাহক তার মোট খেলাপি (শ্রেণীকৃত) ঋণের স্থিতির ২ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • কার্যকারিতা: সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং “জনস্বার্থে” এই হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে যেসব ব্যবসায়ী সময়মতো আবেদন করতে পারেননি, তারা এখন ঋণ নিয়মিত করার মাধ্যমে পুনরায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাবেন।