সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই এলো ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করল বাংলাদেশ ব্যাংক পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ নিতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স; ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw>

উদার অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে সংস্কার বাস্তবায়ন করছে সরকার : বাণিজ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আজ বলেছেন, একটি অধিকতর উদার, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাণিজ্য নীতি ও বাণিজ্যিক আইনে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন করছে সরকার।

তিনি বলেন, বাণিজ্য কার্যক্রম সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকার বর্তমানে ‘আমদানি নীতি আদেশ’ (আইপিও) সংশোধনের কাজ চূড়ান্ত করেছে।

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সংস্কারগুলোর মূল লক্ষ্য হলো- লেনদেনের মাধ্যমগুলো সহজ করা এবং বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বাক্ষরকারী, সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কনফরমিটি অ্যাসেসমেন্টের শর্তগুলো সমন্বয় করা। এসব সংশোধনী খুব শিগগিরই, সম্ভবত আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।’

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনি কাঠামোকে আরও যুগোপযোগী করতে কোম্পানি আইন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ (প্রতিযোগিতা আইন) বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনের সংশোধনী প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাণিজ্য খাতে কাঠামোগত, প্রক্রিয়াগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এর বিভিন্ন উইং সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাণিজ্য আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরে ভারতের সাথে বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, প্রতিদিনের দ্বিপাক্ষিক ছোটোখাটো ঘটনাগুলো সাধারণত বৃহত্তর বাণিজ্য গতিশীলতায় প্রভাব ফেলে না।

তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরের শুরুতে (মে মাসের দিকে) ভারতীয় বন্দর বন্ধ থাকার কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি কমলেও সরকার কোনো পাল্টা ব্যবস্থা নেয়নি।’

উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন, পাট রপ্তানিতে বিধিনিষেধের মতো কিছু অভ্যন্তরীণ নীতি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ ও স্থানীয় সরবরাহ বজায় রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্য অংশীদারকে লক্ষ্য করে নয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো বিশেষ বাণিজ্য পরিস্থিতি জাতীয় অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী উদার বাণিজ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রমজান মাসকে সামনে রেখে উপদেষ্টা বলেন, ১৯ জানুয়ারি অংশীজনদের নিয়ে একটি সভা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান মজুত এবং আমদানি পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে, যাতে বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায় এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা যায়।