বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw> দেশের মানুষ দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি মুক্ত সূশাসন দেখতে চায়: মুফতি আমির হামযা বিদেশি বিনিয়োগের মুনাফা ও মূলধন ফেরতে কড়াকড়ি শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনিয়ম রোধে ৪ বেসরকারি ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আহ্বান চীনের বিশেষ দূতের কক্সবাজার সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করার উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঋণ নয় মালিকানানির্ভর শিল্পায়ন চায় সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

আদানির বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্পূর্ণ বকেয়া পরিশোধ করলো বাংলাদেশ

ঢাকা, ২ জুলাই : ভারতের আদানি পাওয়ারের কাছে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিপরীতে বাংলাদেশের সমস্ত বকেয়া পরিশোধ করা হয়েছে। গত জুন মাসে বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠানটিকে এককালীন ৪৩৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, এই অর্থ পরিশোধের ফলে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত আদানির সমস্ত পাওনা ‘সম্পূর্ণভাবে পরিশোধ’ হয়ে গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জুন মাসে পরিশোধ করা এই ৪৩৭ মিলিয়ন ডলারই আদানি পাওয়ারের এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে পাওয়া সবচেয়ে বড় এককালীন অর্থপ্রাপ্তি। এর আগে, তারা প্রতি মাসে বাংলাদেশ থেকে গড়ে ৯০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার পেত।

সূত্র মতে, বকেয়া বিল, বিলম্ব সুদ এবং অন্যান্য খরচসহ সমস্ত অর্থ পরিশোধ হওয়ার পর বাংলাদেশ ও আদানি পাওয়ারের মধ্যে আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি আবারও আর্থিক ও আইনি দিক থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। চুক্তিটি নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যেসব প্রশ্ন উঠেছিল, সেগুলোও মীমাংসা হয়েছে বলে সূত্র জানায়।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) জানিয়েছে, আদানি পাওয়ার ভারতের ঝাড়খণ্ডের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। সূত্র মতে, সমস্ত পাওনা পরিশোধ হওয়ায় বাংলাদেশ আদানিকে নির্দেশ দিয়েছে যে, ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিটই (প্রতিটি ৮০০ মেগাওয়াট) যেন বিপিডিবি’র চাহিদা অনুযায়ী চালু রাখা হয়।

আদানি ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছিল যে, গত অর্থবছরের বকেয়া ৩০ জুনের মধ্যে পরিশোধ করলে বিলম্ব মাশুল মওকুফ করা হবে। বাংলাদেশ সেই শর্ত মেনে বকেয়া পরিশোধ করেছে। ভবিষ্যতে সময় মতো বিল পরিশোধ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ এখন দুই মাসের বিলের সমপরিমাণ প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলারের একটি লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) এবং বাকি সব পাওনার জন্য রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি দিয়েছে।

চলতি বছরের মে মাসে একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, আদানি পাওয়ারের কাছে বাংলাদেশের বকেয়ার পরিমাণ ছিল প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার। সে সময় আদানি পাওয়ারের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা দিলীপ ঝা বিশ্লেষকদের জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের কাছে মোট ২ বিলিয়ন ডলারের বিল ছিল, যার মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শেষে ১.২ বিলিয়ন ডলার আদায় হয়েছে। বিলম্বে পরিশোধের জন্য অতিরিক্ত ১৩৬ মিলিয়ন ডলার বিল করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন