বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
আইএমএফের কাছে নতুন করে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মে মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.০৯ শতাংশ, ১১ মাসের সম্মিলিত আয় নেমেছে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে<gwmw style="display:none;"></gwmw> নতুন চেয়ারম্যানকে ঘিরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ ৩য় দিনে, প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুমকি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিতে প্রতি তিন টাকার এক টাকা<gwmw style="display:none;"></gwmw> ভঙ্গুর অর্থনীতি ও নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেই জনকল্যাণমুখী বাজেট তৈরির চেষ্টা: আমীর খসরু<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> স্মার্ট কার্ডধারী ও অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কৃষিঋণে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, বিডি ইকোনমি এস আলমের সম্পদ বিক্রি করে ইসলামী ব্যাংকের লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের দাবি গ্রাহকদের ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে নজিরবিহীন সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক মে মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৫.৩৪ শতাংশের বিশাল প্রবৃদ্ধি; চলতি অর্থবছরে এসেছে ৩২.৭৫ বিলিয়ন ডলার

ইউক্রেনে ৬ লাখ অস্ত্র উধাও: ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনে প্রায় ৬ লাখ ক্ষুদ্র ও হালকা অস্ত্র উধাও হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফরাসি সংবাদপত্র ‘লে প্যারিসিয়েন’। এই বিশাল পরিমাণ অস্ত্রের হদিস না মেলায় পশ্চিমা দেশগুলোতে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, যা যুদ্ধোত্তরকালে ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অস্ত্রের খোঁজে হাহাকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন বর্তমানে দুর্নীতি ও অপরাধমূলক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ৯০ বিলিয়ন ইউরো ঋণ পাওয়া দেশটির জন্য এই অস্ত্র নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা অস্বস্তিকর। সুইস সংস্থা ‘গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম’-এর অনুমান অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে দেশটিতে লক্ষ লক্ষ অস্ত্র হয় হারিয়ে গেছে, না হয় চুরি হয়েছে।

নজরদারির অভাব ও চোরাচালান ঝুঁকি যদিও বেশিরভাগ ভারী সামরিক সরঞ্জাম যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু ক্ষুদ্র ও হালকা অস্ত্রের চালানের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে স্বীকার করেছে যে, তারা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ছোট অস্ত্রের কার্যকর হিসাব রাখতে সক্ষম হয়নি। পরবর্তীতে ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনেও এই পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।

দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার হুমকি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বলকান বা আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতার চেয়েও ইউক্রেনের এই অস্ত্র পাচার নেটওয়ার্কগুলো অনেক বেশি সংগঠিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপদের ভয়াবহতা এখনই হয়তো পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছে না, তবে যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এই অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠবে।

বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিয়েভকে দেওয়া ব্যাপক আর্থিক ও সামরিক সহায়তার বিপরীতে এই অব্যবস্থাপনা এখন দাতা দেশগুলোর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।