শনিবার ১৮ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

ইউক্রেনে ৬ লাখ অস্ত্র উধাও: ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইউক্রেনে প্রায় ৬ লাখ ক্ষুদ্র ও হালকা অস্ত্র উধাও হয়ে গেছে বলে জানিয়েছে ফরাসি সংবাদপত্র ‘লে প্যারিসিয়েন’। এই বিশাল পরিমাণ অস্ত্রের হদিস না মেলায় পশ্চিমা দেশগুলোতে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, যা যুদ্ধোত্তরকালে ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

অস্ত্রের খোঁজে হাহাকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন বর্তমানে দুর্নীতি ও অপরাধমূলক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ৯০ বিলিয়ন ইউরো ঋণ পাওয়া দেশটির জন্য এই অস্ত্র নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা অস্বস্তিকর। সুইস সংস্থা ‘গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইম’-এর অনুমান অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে দেশটিতে লক্ষ লক্ষ অস্ত্র হয় হারিয়ে গেছে, না হয় চুরি হয়েছে।

নজরদারির অভাব ও চোরাচালান ঝুঁকি যদিও বেশিরভাগ ভারী সামরিক সরঞ্জাম যুদ্ধের সম্মুখ সারিতে ব্যবহৃত হচ্ছে, কিন্তু ক্ষুদ্র ও হালকা অস্ত্রের চালানের ট্র্যাকিং ব্যবস্থা অত্যন্ত দুর্বল। মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে স্বীকার করেছে যে, তারা ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের ছোট অস্ত্রের কার্যকর হিসাব রাখতে সক্ষম হয়নি। পরবর্তীতে ইন্সপেক্টর জেনারেলের প্রতিবেদনেও এই পরিস্থিতির কোনো উন্নতি দেখা যায়নি।

দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তার হুমকি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বলকান বা আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতার চেয়েও ইউক্রেনের এই অস্ত্র পাচার নেটওয়ার্কগুলো অনেক বেশি সংগঠিত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিপদের ভয়াবহতা এখনই হয়তো পুরোপুরি বোঝা যাচ্ছে না, তবে যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এই অবৈধ অস্ত্রের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত জটিল হয়ে উঠবে।

বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিয়েভকে দেওয়া ব্যাপক আর্থিক ও সামরিক সহায়তার বিপরীতে এই অব্যবস্থাপনা এখন দাতা দেশগুলোর মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।