রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
দেশে গ্যাসের মজুদ ৭.৬৩ টিসিএফ, চলবে ১২ বছর: জ্বালানি মন্ত্রী সার্ক পুনরুজ্জীবন, আঞ্চলিক শান্তি ও বৈশ্বিক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হামের টিকা পেয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার শিশু  এপ্রিলে প্রথম ১৮ দিনেই আসলো ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> এস আলমের গ্রেপ্তার ও পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক পরিষদের ঢাকায় অ্যামচ্যাম-এর ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের মওকুফ দিল যুক্তরাষ্ট্র সুশাসনের অভাবে ধুঁকছে ব্যাংকিং খাত: ১৭ ব্যাংক লোকসানে, ১১ ব্যাংকের সিএসআর শূন্য

বৈদেশিক মুদ্রা বাজার স্থিতিশীল রাখতে আরো ২০৮ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা : বৈদেশিক মুদ্রার বাজার বা ফরেক্স মার্কেট স্থিতিশীল রাখার চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আরও ১০টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)।

এই সর্বশেষ কেনার মাধ্যমে, গত জুলাই মাস থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের কেনা ডলারের মোট পরিমাণ দাঁড়াল ২০৮ কোটি ডলারে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মাল্টিপল প্রাইস অকশন পদ্ধতির মাধ্যমে ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটির সাহায্যে এই ডলারগুলো ক্রয় করেছে। বৃহস্পতিবারের লেনদেনে প্রতিটি ডলারের বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে ১২১ টাকা ৮০ পয়সা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান ডলার কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, জুলাই মাস থেকে শুরু হওয়া ডলার কেনার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাজারমূল্য ধরে রাখতে এবং রপ্তানিকারক ও প্রবাসী কর্মীদের স্বার্থ রক্ষায়।

বৃহস্পতিবারের এই ডলার ক্রয় ছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৪তম হস্তক্ষেপ। এর আগে ১৩ দফায় ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

সর্বশেষ ৬ অক্টোবর, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১০ কোটি ৪০ লাখ ডলার কিনেছিল, যার বিনিময় হার ছিল ১২১ টাকা ৭৮ পয়সা থেকে ১২১ টাকা ৮০ পয়সা।

আগের লেনদেনগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো:

  • ১৩ জুলাই: ১ কোটি ৭১ লাখ ডলার কেনা হয় ১২১ টাকা ৫০ পয়সা দরে।
  • ১৫ জুলাই: একই দরে কেনা হয় ৩ কোটি ১৩ লাখ ডলার।
  • ২৩ জুলাই: ১ কোটি ডলার কেনা হয় ১২১ টাকা ৯৫ পয়সা দরে।
  • ৭ আগস্ট: ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার (দর ছিল ১২১.৪৭ থেকে ১২১.৫০ টাকা)।
  • ১৪ আগস্ট: ১৭ কোটি ৬৫ লাখ ডলার (১২১ টাকা ৫০ পয়সা দরে)।
  • ২৮ আগস্ট: ১৪ কোটি ৯৫ লাখ ডলার (দর ছিল ১২১.৬৬ থেকে ১২১.৭০ টাকা)।

এছাড়া, সেপ্টেম্বরে একাধিক দিনে ডলার কেনা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ২ সেপ্টেম্বর (৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার), ৪ সেপ্টেম্বর (১৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার), ৯ সেপ্টেম্বর (২৬ কোটি ৫০ লাখ ডলার), ১৫ সেপ্টেম্বর (৩৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার) এবং ২২ সেপ্টেম্বর (১২ কোটি ৯০ লাখ ডলার)। এই সবগুলোর ক্রয়মূল্য ছিল ১২১ টাকা ৭৫ পয়সা দরে।