শনিবার ১৩ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ রোধে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনীর অবিলম্বে বাস্তবায়ন জরুরি: সাবেক গভর্নর করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৩.৭৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব, বছরজুড়ে দেওয়া যাবে রিটার্ন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট: উন্নয়ন ধারা সচল, সংস্কার ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক, আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা বেড়ে ৪ লাখ টাকা স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব বাজেট ২০২৬-২৭: সংস্কার প্রস্তাবকে ফিকির স্বাগত, তবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয় রোগীদের স্বার্থে হাসপাতাল খোলা রাখার সুযোগ চায় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ আগামীকাল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার মেগা বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবিবির; এসএমই খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন প্যাকেজ

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মধু পূর্ণিমা উদযাপন

ঢাকা : দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় আজ রাজধানীসহ সারা দেশে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্য ও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে তাদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘মধু পূর্ণিমা’ উদযাপন করেছে ।

বাংলাদেশের বৌদ্ধরা বিশেষত ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, চট্টগ্রামের বৌদ্ধ অধ্যুষিত অঞ্চল এবং তিন পার্বত্য জেলায় এ দিনটি পালন করে থাকেন, যা সেপ্টেম্বর মাসের পূর্ণিমা তিথিতে উদযাপিত হয়।

বাংলা ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত এ পবিত্র উৎসবটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ভারতের পারিলেয়ো অরণ্যে গৌতম বুদ্ধকে পশুদের সেবা ও সহায়তার স্মৃতি।

কিংবদন্তি অনুযায়ী, এক বুনোহাতি ও নামের এক বানর এ সময় বনে তপস্যারত বুদ্ধকে আহার জুগিয়েছিল- হাতি ফল আর বানর মধুর চাক এনেছিল।

বুদ্ধ উপহার গ্রহণ করায় বানরটি উৎফুল্ল হয়ে গাছ থেকে গাছে লাফাতে লাফাতে শেষে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করে। তবে তার দানশীলতার ফলে সে সঙ্গে সঙ্গেই দেবলোকে পুনর্জন্ম লাভ করে।

দিনের কর্মসূচি শুরু হয় সব বিহারে জাতীয় ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন এবং ত্রিপিটকের পবিত্র শ্লোকপাঠের মধ্য দিয়ে।

এ ছাড়া কর্মসূচির মধ্যে ছিল ভিক্ষুদের উপবাস ভঙ্গ, আলোচনা সভা, মধু প্রদান, রক্তদান কর্মসূচি এবং সন্ধ্যায় সব বিহারে আলোকসজ্জা।

রাজধানীতে প্রধান ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় কমলাপুর ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহার, বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার, সাভারের আশুলিয়া বিদর্শন ভাবনা কেন্দ্র, মিরপুরের আদিবাসী বৌদ্ধ মন্দির এবং অন্যান্য বৌদ্ধ বিহারে।

চট্টগ্রামে প্রধান ধর্মীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় নন্দনকানন বৌদ্ধ বিহার, কাতালগঞ্জ নবপণ্ডিত বিহার, দেবপাহাড়ের পূর্ণচার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহার, মুঘলটুলি শাক্যমুনি শ্মশান বিহার, আগ্রাবাদ ও চন্দনগাঁও বিশ্বমৈত্রী বিহারে।

সব বিহারে দেশের অব্যাহত শান্তি ও অগ্রগতি এবং বিশ্ব শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনাও অনুষ্ঠিত হয়। বাসস