বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

রাজস্ব আহরণে বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ঢাকা, ২০ আগস্ট : রাজস্ব আহরণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, বিদেশি অর্থায়ন শুধু প্রত্যক্ষ বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়, পুঁজিবাজারেও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বড় সুযোগ রয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে কেয়ার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার: ড্রাইভিং ডেভেলপমেন্ট উইথ মার্কেটস, ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন।

ড. মনসুর বলেন, “আমাদের নিজস্ব সম্পদ আহরণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যা পুরোপুরি সম্ভব।” তিনি উল্লেখ করেন যে, বিদেশি সহায়তা একসময় জিডিপির ১২-১৪ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা অনেক কমে এসেছে। এখন দেশের উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই অর্থ জোগাড় করতে হবে।

গভর্নরের মতে, অর্থনীতিতে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন: মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং উদ্ভাবন ও আর্থিক শিক্ষার বিস্তার।

ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা জানি ব্যাংকিং খাতের কী অবস্থা। একে স্থিতিশীল করতে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে।”

তিনি আরও বলেন, ঋণ বিতরণে স্বচ্ছতা, ব্যাংকবহির্ভূত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রামাঞ্চলে এজেন্ট ব্যাংকিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মোবাইল আর্থিক পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র ঋণের প্রসার সম্পর্কে গভর্নর জানান, “প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে।”

গভর্নর উপসংহারে বলেন, এখন সময় এসেছে উন্নয়ন সহযোগীদের উপর নির্ভর না করে নিজস্ব বাজারভিত্তিক অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার, যেখানে পুঁজিবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

রাজস্ব আহরণে বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ঢাকা, ২০ আগস্ট : রাজস্ব আহরণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় বিকল্প উৎস হিসেবে পুঁজিবাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

তিনি বলেন, বিদেশি অর্থায়ন শুধু প্রত্যক্ষ বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ নয়, পুঁজিবাজারেও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বড় সুযোগ রয়েছে।

বুধবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে কেয়ার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘দ্য নেক্সট ফ্রন্টিয়ার: ড্রাইভিং ডেভেলপমেন্ট উইথ মার্কেটস, ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনোভেশন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে গভর্নর এসব কথা বলেন।

ড. মনসুর বলেন, “আমাদের নিজস্ব সম্পদ আহরণের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যা পুরোপুরি সম্ভব।” তিনি উল্লেখ করেন যে, বিদেশি সহায়তা একসময় জিডিপির ১২-১৪ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে তা অনেক কমে এসেছে। এখন দেশের উন্নয়নের জন্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেই অর্থ জোগাড় করতে হবে।

গভর্নরের মতে, অর্থনীতিতে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ধারাবাহিক উদ্যোগ প্রয়োজন: মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং উদ্ভাবন ও আর্থিক শিক্ষার বিস্তার।

ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা জানি ব্যাংকিং খাতের কী অবস্থা। একে স্থিতিশীল করতে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়নে তিন থেকে চার বছর সময় লাগবে।”

তিনি আরও বলেন, ঋণ বিতরণে স্বচ্ছতা, ব্যাংকবহির্ভূত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি এবং গ্রামাঞ্চলে এজেন্ট ব্যাংকিং সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

মোবাইল আর্থিক পরিষেবা এবং ক্ষুদ্র ঋণের প্রসার সম্পর্কে গভর্নর জানান, “প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে।”

গভর্নর উপসংহারে বলেন, এখন সময় এসেছে উন্নয়ন সহযোগীদের উপর নির্ভর না করে নিজস্ব বাজারভিত্তিক অর্থায়ন কাঠামো গড়ে তোলার, যেখানে পুঁজিবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।