বুধবার ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের দাম ১২২.৭৫ টাকায় স্থিতিশীল ৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন যাচাই–বাছাই করবে এনবিআর<gwmw style="display:none;"></gwmw> আমেরিকান বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়াতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্মিলিত ইসলামি ব্যাংক থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র হতে চায় এসআইবিএল; সাবেক পরিচালকদের আবেদন সিগারেটের প্যাকেটে কিউআর কোড, কর ফাঁকি ধরলে পুরস্কারের ঘোষণা এনবিআর চেয়ারম্যানের বিনিয়োগ সংস্কারে গতি আনতে ইউএনডিপি, বিডা ও আঙ্কটাডের প্রতিবেদন প্রকাশ ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার লোগো উন্মোচন; ২২ মে শুরু হচ্ছে চারদিনব্যাপী আসর নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সুবিধা সম্প্রসারণে সিটি ব্যাংক ও ওয়াটার ডট ওআরজি-র যৌথ উদ্যোগ

বাংলাদেশ ব্যাংক নীতিসূদ হার কমিয়ে ঋণ প্রবাহ সহজ করার ইঙ্গিত দিচ্ছে

ঢাকা, ১৫ জুলাই: বাংলাদেশ ব্যাংক তার স্থায়ী আমানত সুবিধা (SDF) হার, যা পলিসি রেট (রিভার্স রেপো রেট) নামেও পরিচিত, ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়েছে।

মঙ্গলবার জারি করা এক সার্কুলারের মাধ্যমে ঘোষিত এই পদক্ষেপের ফলে SDF হার ৮.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৮.০০ শতাংশ করা হয়েছে, যা আগামীকাল, ১৬ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত তার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির অবস্থান থেকে ধীরে ধীরে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য আন্তঃব্যাংক মুদ্রা বাজার (কল মানি মার্কেট) আরও সক্রিয় করা এবং বিদ্যমান মুদ্রানীতি কাঠামোর মধ্যে তারল্য ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা।

তবে, নীতিগত সুদের হারের ঊর্ধ্বসীমা, যার মধ্যে স্থায়ী ঋণ সুবিধা (SLF) হার ১১.৫০ শতাংশ এবং রাতের বেলায় রেপো রেট ১০.০০ শতাংশ, অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকরা পরামর্শ দিচ্ছেন যে এই হ্রাস বাজারে তারল্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে, যা গ্রাহক খাতে বিনিয়োগ এবং ঋণ প্রবাহকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।তবুও, তারা আরও উল্লেখ করেছেন যে আর্থিক স্থিতিশীলতার উপর, বিশেষ করে চলমান মুদ্রাস্ফীতির চাপের মধ্যে, এই ধরনের সুদের হার কমানোর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব এখনও দেখা বাকি।

এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংক এই মাসের শেষ নাগাদ তার নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।বর্তমান অর্থনৈতিক গতি, স্থিতিশীলতা এবং বিনিয়োগ পরিবেশের পর্যালোচনার ভিত্তিতে, ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে আসন্ন নীতিটি কিছুটা শিথিল বা বিনিয়োগ-বান্ধব হতে পারে।