বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
ঋণখেলাপির সংস্কৃতি থেকে ব্যাংক লুটপাট: আর্থিক খাতের দুর্দশার জন্য দায়ী করলেন ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ পাবনায় কৃষি ও এসএমই উদ্যোক্তাদের ২.৭০ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করল ব্যাংকসমূহ অভিবাসী শ্রমিকের সুরক্ষা ও শক্তিশালী ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের আহ্বান বিএলএস-এফইএস যুব সম্মেলনে সংশোধিত সাইবার আইনে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ না করার আহ্বান—ভয়েস ফর রিফর্মের সংলাপ ব্যাংকিং খাত স্থিতিশীলকরণে সিস্টেমিক ঝুঁকি ও আমানতকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে বিআইবিএম-এর কর্মশালা জুলাই-অক্টোবর সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১১.০৪ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম; রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৪১ বিলিয়ন ডলার অস্ট্রেলিয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ, বিএসআরইএর সংবাদ সম্মেলন ২০২৬ সালে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ মৎস্য খাতের শ্রমিকদের আইনি সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তার দাবি: বিলস-এফইএস সংলাপ

বাংলাদেশে সোনার দামের উঠানামা: ২০২৪ সালের বিশ্লেষণ

ঢাকায় একটি সোনার দোকান

২০২৪ সালে বাংলাদেশের সোনার বাজার অত্যন্ত অস্থির ছিল। বছরটিতে মোট ৬২ বার সোনার দাম পরিবর্তন হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। বছরের শুরুতে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ছিল ১ লক্ষ ১২ হাজার ৪৪১ টাকা এবং শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ২৮৮ টাকা।

দামের উঠানামা: বছরের মধ্যে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫২৬ টাকা এবং সর্বনিম্ন ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার ৬৯১ টাকা।

দাম বৃদ্ধির কারণ: সোনার দামের এই উঠানামার প্রধান কারণ হিসেবে বিশ্ববাজারে সোনার দামের পরিবর্তন, মুদ্রাস্ফীতি এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যহীনতা উল্লেখ করা যেতে পারে।

বাজুসের ভূমিকা: বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিয়মিতভাবে সোনার দাম নির্ধারণ করেছে এবং বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী দাম পরিবর্তন করেছে।

দাম বৃদ্ধির প্রভাব: সোনার দামের এই উঠানামা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলেছে এবং সোনার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

২০২৪ সাল সোনার বাজারের জন্য অত্যন্ত চঞ্চল এক বছর ছিল। সোনার দামের এই উঠানামা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। তাই সোনা কেনার আগে বাজারের পরিস্থিতি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।